1 Answers
সাধারনত গর্ভপাতের সাথে বান্ধত্ব্য কিংবা পরিবর্তী গর্ভধারনে জটিলতার কোন সম্পর্ক নেই। তবে কিছু গবেষনায় গর্ভপাত এবং পরবর্তীতে গর্ভধারনের সাথে নিচের বিষয়গুলোর সংযোগ পাওয়া গেছে:
- গর্ভপাত, এমনকি সাধারন প্রসবের সময় যৌনাঙ্গের অধিক রক্তক্ষরন।
- প্রি-ট্রিম প্রসব।
- কম ওজনের বাচ্চার জন্ম।
- অমরা/গর্ভের ফুল আংশিক বা সম্পূর্ণ সার্ভিক্স (গর্ভশয়ের গলদেশ) ঢেকে ফেলে , যা প্রসবের পূর্বে কিংবা প্রসবকালীন মারাত্মক রক্তক্ষরণের কারন হতে পারে।
মেডিক্যাল এব্রোশানের সময় নারী সেবনকারী ঔষধ, যেমন মিফ্রিষ্টোন (মিফিপ্রেক্স) গ্রহন করে প্রাথমিক অবস্থায় ভ্রন নষ্ট করার জন্য। আর সার্জিক্যাল এব্রোশানের সময় গর্ভাশয় থেকে ভ্রন বের করে আনার জন্য ভ্যাকুয়াম ডিভাইস, সিরিঞ্জ কিংবা চামচ আকারের পার্শ্ব ধারালো একপ্রকার যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। বিরল ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল অপারেশানের ফলে গর্ভাশয়ের মুখ অথবা গর্ভাশয়ের ব্যপক ক্ষতি স্বাধিত হতে পারে। অনভিজ্ঞ ডাক্তার এই অপারেশান পরিচালনা করলে এ ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকংশে বেড়ে যেতে পারে। তবে বড় ধরনের কোন জটিলতা না হলে পুনরায় অপারেশানের মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করলে কথিত নারী পুনরায় মা হতে পারবেন।
এব্রোশানের পর যদি আপনি আবার মা হতে চান তাহলে অবশ্যই আগে কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখিয়ে তার পর গর্ভধারনের বিষয়টি চিন্তা করা উচিৎ। এতে করে সুস্থ্য মা এবং তার গর্ভের বাচ্চার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy