3 Answers
অবশ্য আমরা সবাই জানি যে এর পিছনে পাপনের হাত রয়েছে,ইতিমধ্যে পাপন কে নিয়ে ফেসবুক টুইটার ইন্সটিগ্রামে এ বিষয়ে ভাইরাল হয়ে গেছে, তার পরেও বলব এসব যাচাই পূর্বক করা জন্য - ( ধন্যবাদ )
আসলে এখানে হাত থাকতেও পারে আবার নাও পারে। কিন্তু আমরা সবসময় যেটা দেখি সেটাই সত্য নয়। আমরা ভাবছি ধর্মঘটের পরে এগুলো হলো এবং সাকিবের সাথে পাপনের দ্বন্দের পরেই নিষেধাজ্ঞা আসল এ কারণে মনে হয় পাপনই করিয়েছেন। আসলে সেরকম নয়। এটা প্রায় দেড় বছর ধরেই তদন্ত চলছে, জানুয়ারি মাসেও সাকিবকে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সাকিব এটা বিসিবিকে সেভাবে জানায় নি। তবে সত্যি কথা বলতে সাকিবের নিষেধাজ্ঞা পাওয়াতে পাপন খুশিই হয়েছে, কয়েকদিন আগে এক ইন্টারভিউতে এ সম্পর্কে তিনি সামান্য আভাস দিয়েছিলেন। তার কথায় মনে হচ্ছিল ব্যাপারটা আনন্দের। সার্বিকভাবে ধারণা করা যায় নিষেধাজ্ঞার পরিমাণ সামান্য বর্ধিত করায় বিসিবির হাত রয়েছে। এরকম একটা অপরাধে (ভুলে) দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা অনেক যেখানে বল টেম্পারিং এর নিষেধাজ্ঞা মাত্র এক বছর ছিল। তবে সাকিবের দোষটা নিতান্তই অল্প নয়। সে জুয়াড়ির সাথে কথা চালিয়েছে এবং দেখা করতে আগ্রহ দেখিয়েছে যেটা সন্দেহজনক বটে। তবে এজন্য বড়জোর ৫-৬ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা যেত, এতটা সময় অনেক বেশি। আদৌ সাকিব আবার ফিটনেস নিয়ে ফিরতে পারবে কি না সেটাই এখন প্রশ্ন!
আমার মনে হয় না এখানে পাপনের হাত আছে। বিসিবির এখনো এরুপ ক্ষমতা হয় নি, যে আইসিসি বিসিবির কথায় একজনকে নিষেধাজ্ঞা দেবে। আসলে টাইমিংটাই সব গড়বড়ের মূল।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy