আমাকে সবাই এভোয়েট করে কেন?
2 Answers
আপনি কি নামাজ কালাম পরেন৷ কিংন বা মুখে দারি আছে কিনবা মানুশ কে ভালো কথা বলে ইসলামের দকে ডাকেন৷ তবে আপনার সাথে জারা মিসে না তাদের কোন টায় নায়। তারা আপনাকে বিরক্ত মনে করে৷ কারন কি জানেন প্রথিবিতে এমন অনেক মানুশ আছে জাদের কে ভাল কথা বল্লে তারা সুনে না৷ বরং উল্টা মন্তব করে৷ এই ধরনের মানুষ গুলা আপনার সাথে মিসবে না৷ জারা আপনাকে বুঝে দেখেন তারায় আপনার সাথে মিসে৷ আসা করি বুঝতে পেরেছেন৷ ধন্যবাদ
মানুষ মাত্রই ভালোবাসার কাঙাল। আমরা সবার কাছে ভালোবাসা আশা করি।আমরা চাই আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলো আমাদেরও ভালোবাসুক,পাশে থাকুক৷
আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলো আমাদের চারপাশেই থাকে।অনেক সময় তাদের আমরা দেখেও দেখতে পাই না। ফলে মনে হয়, কেউ আমাকে একটুও ভালোবাসে না,আমাকে এভয়েড করে, ইত্যাদি, ইত্যাদি,মনে প্রশ্ন জাগে!বেঁচে থেকে আমি কী করবো?
কথা হলো--আত্মবিশ্বাস কখনো হারাবেন না!যেভাবে আপনি বলছেন যে,আপনি ছেলে হিসেবে ততটা খারাপ না!হ্যা!!আমিও বলছি,সবসময় এটাই বিশ্বাস করুন৷ আপনি কারো থেকে কম না৷আপনাকে সবাই ভালোবাসে, কিন্তু সবাই আবার এভয়েডও করে! এই যে,কিন্তুর পরের কথাটা ভুলে যান৷আপনাকে সবাই এভয়েড করে এটা কখনো সত্য নয়,সত্য এটাই যে,কেউ কেউ আপনাকে এভয়েড করে৷ এই কেউ কেউটা সবার জীবনেই আছে৷এটা নিয়ে টেনশন করবেন না৷
মনে রাখবেন --আমাদের জন্মের পর থেকেই শুরু হয় ভালোবাসার উৎসব। আস্তে আস্তে আমরা যখন বড় হতে থাকি পরিবার, মা বাবার শাসনের পেছনে লুকিয়ে যায় ভালোবাসা। আসলে আমরা চিন্তাও করতে পারি না পরিবারের এই মানুষগুলো আমাদের কতটা ভালোবাসেন।
একটা উদাহরণ দিই-আমাদের মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদীর শাসনকেই শুধু দেখি। অনেকটা এরকম, একটা ছেলে তার বাবা-মাকে বলছে সাইকেল কিনে দিতে। বাবা মা না দিলেই দেখা যাবে ছেলেটির তখন মনে হবে তার মা-বাবা তাকে আদর করেন না, ভালোবাসেন না। আসলে মা বাবা দুর্ঘটনার ভয়েই তার সন্তানকে সাইকেল কিনে দিতে চান না। এই ভয়টার মধ্যেই যে কতটা স্নেহ, মমতা ভালোবাসা লুকিয়ে আছে তা আমরা অনেক সময় বুঝতে পারি না।
তবে....তবুও জীবনে চলার পথে অনেক দক্ষতার প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা হচ্ছে মানুষের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদানের দক্ষতা। এটি শৈশব থেকেই তৈরি হতে থাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে বড়দের দায়িত্ব হচ্ছে শিশুদের আবেগ, চাহিদা, মনোভাব, চিন্তাধারাগুলো বুঝে তাকে সুন্দরভাবে নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া। শুধু তা–ই নয়, তার ঔৎসুক্য, আগ্রহগুলো খেয়াল করে ধৈর্য ধরে ওর প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া এবং তাকে গুরুত্ব দেওয়া। এ ছাড়া সব সময় ছোট ছোট অর্জনের জন্য উৎসাহ দেওয়া ও প্রশংসা করা।
এখন থেকে আত্মবিশ্বাস এর সাথে মানুষের সাথে মিশুন,আপনি চেষ্টা করবেন অন্তত প্রথমে মানুষের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে এবং গুছিয়ে কথাগুলো না বলতে পারলেও নিজেকে এর জন্য মোটেও ছোট মনে করবে না।মানুষের অবস্থা বুঝে কথা বলতে চেষ্টা করুন,মানুষের মন জয় করতে চেষ্টা করুন৷ নিজেকে কখনো কারও সঙ্গে একবারের জন্যও তুলনা করবেন না৷ নিজে নিজের মতো মানুষের সাথে মিশুন৷
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy