2 Answers

আপনি যদি এডভান্স ইউজার হন তবে অনেক কিছু করতে পারবেন। আপনি ফোন রুট করলে যেমন সুবিধা আছে তেমন কিছু অসুবিধাও আছে সুবিধা গুলো হল রুট করলে এন্ড্রয়েড মোবাইলের গেমস সহ বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার হ্যাক করতে পারবেন যেটা আপনি কখনোই আনরুট ফোনে করতে পারবেন না।
আপনার ফোনে কানেক্ট থাকা ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড খুব সহজেই বের করে নিতে পারবেন মানে আপনি আপনার ফ্রেন্ড সার্কেল বা অন্য যেকোন কারো কাছ থেকে Wifi টি কানেক্ট করে নিলেন বা আপনাকে কানেক্ট করে দিল বাট ও Wifi এর পাসওয়ার্ড দিল না সে ক্ষেত্রে কানেক্ট থাকা ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড আপনি কিছু অ্যাপস এর মাধ্যমে খুব সহজেই বের করে নিতে পারবেন যেটা আনরুট ফোন দিয়ে করা কখনে ই সম্ভব হবে না।
তাছাড়া আপনার ফোনটি রুট করার পর সেই রুটেড ফোনে কাস্টম রম ইন্সটল করে আপনার ফোনকে ইচ্ছেমতো কাস্টোমাইজ করে নিতে পারবেন মানে নিজের মতো করে সাজাতে পারবেন। যেমন : আপনি শাওমি ফোন ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি ফোন রুট করে স্যামসাং এর কাস্টম রম ব্যবহারে আপনার ফোনের লুক চেঞ্জ করতে পারেন৷ যেটা আপনি চাইলেও আনরুট ফোনে করতে পারবেন না।
এছাড়া ফোনের বুটলোগো ও সফট ইউজ করতে পারবেন এটিই বিশেষ সুবিধা। ফোনের ফন্ট চেঞ্জ করতে পারবেন। আপনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন৷ এছাড়া আপনি আপনার স্পিড ওভারব্লক করতে পারবেন৷ আরো বেশ কিছু সুবিধা আপনি উপভোগ করতে পারেন।

2974 views

রুটিং এর উপকারিতা এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ ডিভাইসের নিয়ন্ত্রন হাতে নিয়ে আসার সম্ভাবনা। একজন সুপার ইউসার ডিভাইসের সিস্টেম ফাইলে প্রবেশাধিকার রয়েছে। সুপার ইউসার অপারেটিং সিস্টেম এর সকল কিছুই নিয়ন্ত্রন করতে পারবে, এক্ষেত্রে একমাত্র সীমাবদ্ধতা ব্যবহারকারীর প্রোগ্রামিং দক্ষতা। রুট করা ডিভাইস থেকে অবিলম্বে নিচের সুবিধাগুলো পাওয়া যেতে পারে: থিমের জন্য সাপোর্ট দেয়া। ব্যাটারি আইকনের রং পরিবর্তন থেকে শুরু করে ফোন অন বা অফ হওয়ার সময়ের স্ক্রিন(বুট অ‍্যানিমেশন) পর্যন্ত পরিবর্তন করা যায়। আরো নানা রকমের সুবিধা তো আছেই।কার্নেলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, উদাহরণস্বরূপ, সিপিউএবং জিপিউ এর ওভারক্লকিং ও আন্ডারক্লকিং।সকল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন ব্যাকআপ করার সক্ষমতা, কোন কিছু রিষ্টর করা, অনেক অ্যাপ্লিকেশন একসাথে সম্পাদনা করা অথবা এমন কোন অ্যাপ্লিকেশন মুছে ফেলা, যা প্রস্তুত কারক দ্বারা স্থায়ি ভাবে ইন্সটল করা থাকে।থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সিস্টেমের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করা। কাস্টম রম বা কাস্টম ফার্মওয়্যার ইন্সটল করার সুযোগ দেয়, যা রুট করা ডিভাইসে আরো কিছু অতিরিক্ত মাত্রার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রদান করে। (যদিও রুট ছাড়াও কাস্টম রিকভারির মাধ্যমে কাস্টম রম ইন্সটল করা সম্ভব)

2974 views

Related Questions