2 Answers
ইব্রাহীম (আঃ) কে মুসলিম জাতির পিতা বলা হয়। কারণ আল্লাহ স্বয়ং কোরআনে তাকে এ নামে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ-
সূরা আল হাজ্জ্ব (الحجّ), আয়াত: ৭৮
وَجَٰهِدُوا۟ فِى ٱللَّهِ حَقَّ جِهَادِهِۦ هُوَ ٱجْتَبَىٰكُمْ وَمَا جَعَلَ عَلَيْكُمْ فِى ٱلدِّينِ مِنْ حَرَجٍ مِّلَّةَ أَبِيكُمْ إِبْرَٰهِيمَ هُوَ سَمَّىٰكُمُ ٱلْمُسْلِمِينَ مِن قَبْلُ وَفِى هَٰذَا لِيَكُونَ ٱلرَّسُولُ شَهِيدًا عَلَيْكُمْ وَتَكُونُوا۟ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ فَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱعْتَصِمُوا۟ بِٱللَّهِ هُوَ مَوْلَىٰكُمْ فَنِعْمَ ٱلْمَوْلَىٰ وَنِعْمَ ٱلنَّصِيرُ
অর্থঃ তোমরা আল্লাহর জন্যে শ্রম স্বীকার কর যেভাবে শ্রম স্বীকার করা উচিত। তিনি তোমাদেরকে পছন্দ করেছেন এবং ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন সংকীর্ণতা রাখেননি। তোমরা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের ধর্মে কায়েম থাক। তিনিই তোমাদের নাম মুসলমান রেখেছেন পূর্বেও এবং এই কোরআনেও, যাতে রসূল তোমাদের জন্যে সাক্ষ্যদাতা এবং তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলির জন্যে। সুতরাং তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে শক্তভাবে ধারণ কর। তিনিই তোমাদের মালিক। অতএব তিনি কত উত্তম মালিক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী।
যারা এটি অস্বীকার করবে, বা অন্য কাউকে জাতির পিতা বলবে, তারা মূলত আল্লাহর এই আয়াতকেই অস্বীকার করল(নাউজুবিল্লাহ)।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, এটাই তোমাদের পিতা ইবরাহীমের ধর্ম। তিনি পূর্বে তোমাদের নামকরণ করেছেন মুসলিম।
অর্থাৎ উল্লিখিত নির্দেশাবলী তোমাদের জাতির পিতা ইবরাহীম (আঃ) এর ধর্মের অন্তর্ভুক্ত, যা সর্বদা বহাল ছিল। সুতরাং তোমরা তার মিল্লাত তথা ধর্মকে আঁকড়ে ধরে থাক।
এখানে ইবরাহীম (আঃ) কে পিতা বলার কারণ হল, আরব জাতি ইসমাঈল (আঃ) এর বংশধর ছিল। সেই হিসেবে ইবরাহীম (আঃ) হলেন আরববাসীর পিতা আর অনারবরাও তাকে একজন উচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে শ্রদ্ধা করত, যেমন পুত্র তার পিতাকে শ্রদ্ধা করে থাকে। সেই হিসেবে তিনি সকলের আদি পিতা ছিলেন।
এছাড়াও ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) আরবী হওয়ার কারণে ইবরাহীম (আঃ) তারও পিতা ছিলেন। আর এ জন্য তিনি সকল উম্মাতে মুহাম্মাদীরও পিতা হলেন।
অতএব তোমরা তারই ধর্মের অনুসারী হও। কেননা তার ধর্মই হল সঠিক ধর্ম।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, বল: নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক আমাকে সৎ পথে পরিচালিত করেছেন, তা সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, ইবরাহীমের ধর্মাদর্শ, তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ এবং তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। (সূরা আন‘আমঃ ৬:১৬১)।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy