আমি জীবনে অনেক বড় বড় ধরনের পাপ করেছি এখন আমি অনুতপ্ত নামাজ ও পড়ি কিন্তু কেনো জানি মনে হয় আমি আমার পাপের জন্য আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারছিনা
2523 views

2 Answers

খাটি মনে তওবা করুন।ইসলামের নিয়ম-কানুন মেনে চলুন।আশাকরি মনে শান্তি আসবে।

2523 views

একজন ঈমানদারের জন্য জীবনের সার্থকতা হলো আল্লাহর খাঁটি বান্দা হওয়া। কিন্তু পাপের জন্য আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারছেন না এটা আপনার ভুল ধারনা। কেননা, কোন বান্দা পাপ করে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলে আল্লাহ সেই পাপ ক্ষমা করে দেন। নবী (সাঃ) বলেন, তওবা করলে আল্লাহ অধিক খুশি হন। আল্লাহ তার বান্দাদের প্রতি বড়ই ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তিনি চান বান্দা তওবা করুক। তিনি সব গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। নবী করিম (সাঃ) এর কোনো পাপ ছিল না। তবু তিনি প্রত্যেহ ১০০ বার আল্লাহর কাছে তওবা করতেন। উম্মতকে বেশি বেশি তওবা করতে উৎসাহিত করতেন। আল্লাহ বলেন, হে ইমানদারগন! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো, আন্তরিক তওবা। (সূরা তাহরিম, আয়াতঃ ৮)। তওবা হলো অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করা, যে গুপ্ত অথবা প্রকাশ্য জিনিস আল্লাহ ঘৃণা করেন সে জিনিস থেকে, যা তিনি পছন্দ করেন তার কাছে ফিরে আসার নাম তওবা। ওলামায়ে কেরাম তওবার কয়েকটি শর্ত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যে শর্তগুলো পূরণ না হলে তওবা কবুল হয় না। ১। তওবা হবে আন্তরিকভাবে একান্ত আল্লাহর জন্য। ২। পাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় তওবা গ্রাহ্য নয়। সঙ্গে সঙ্গে পাপ বর্জন করতে হবে। ৩। বিগত পাপের ওপর অনুশোচনা প্রকাশ করতে হবে। ৪। পুনরায় মরণ পর্যন্ত তার প্রতি না ফেরার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে। ৫। কোনো মানুষের অধিকার হরণ করলে তার অধিকার আদায় করে নিতে হবে কিংবা তার কাছ থেকে মাফ চেয়ে নিতে হবে। জনাব। আপনি তওবা করুন আল্লাহর খাঁটি বান্দা হয়ে যাবেন। 'ইন-শা-আল্লাহ'!

2523 views

Related Questions