2 Answers
চট্টগ্রাম অঞ্চল সাগরের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে জলীয়বাষ্প এএ পরিমাণ ঢাকার চেয়ে বেশী থাকে ।
চট্টোগ্রামে অস্বস্থি লাগে কারন এই অঞ্চল সমুদ্র নিকটবর্তী। এর ফলে এ অঞ্চলের বাতাসে প্রচুর আদ্রতা থাকে। বাতাসে এই আদ্রতার জন্য বাতাস সম্পৃক্ত অবস্থা প্রাপ্ত হয়। এর ফলে দেহের ঘামসহ অন্যন্য ভেজা বা আদ্রযুক্ত জিনিস শুকাই না। এতে অস্বস্থি বোধ হয়। তবে সবচেয়ে বড় অস্বস্থি নিঃশ্বাসে। কারন আমরা জানি শ্বাস প্রশ্বাসের সময় ফুসফুসের এলভিওলাসে অক্সিজেন ও কার্বনডাই অক্সাইড বিনিময় হয়। এই এলভিওলাসের ভেতর গাত্রে একপ্রকার রস ক্ষরন হয় যাহাতে ফুস ফুস না শুকায় এবং গ্যাসীয় বিনিময়ের সময় গ্যাস সহজে তরলে বিক্রিয়া করতে পারে। এবং আমরা জানি যে নিঃশ্বাস বেরিয়ে আসে তাতে প্রচুর তাপ ও জলীয় বাষ্প থাকে। এখন সেই ফুসফুসের বাইরে থেকে আদ্র বাতাস প্রবেশ করলে দেহের তাপ ও জলীয় বাষ্প ফুসফুস থেকে বাইরে বিনিময় কঠিন হয়। কেননা রক্তের চাপের জন্য ব্যাপন প্রক্রিয়ায় এসব বাষ্প কৈশিক জালিকা থেকে এলভিওলাসের থলের বাতাসে আসে। কাজেই বাতাসে আগে থেকে বাষ্প থাকলে এ প্রক্রিয়া ঘটতে পারেনা বলে দম বন্ধ বন্ধ ভাব বা অস্বস্থি লাগে।