2 Answers
বিতর নামাজ হল বিজোড় সংখ্যক রাকআত বিশিষ্ট নামাজ যা মুলত ইশার নামাজের পর পড়া হয়। তবে ইশার নামাজের পর থেকে ফজরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত যে কোনো সময় বিতর নামাজ পড়া যায়। তাই বিতর নামাজ তাহাজ্জুদের পরেও পড়তে পারবেন। আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) এর কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তাহাজ্জুদ সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি রাতের প্রথমাংশে ঘুমাতেন। তারপর সালাতে দাঁড়াতেন এবং সাহরীর পূর্বক্ষণে বিতর আদায় করতেন। এরপর প্রয়োজন মনে করলে বিছানায় আসতেন। তারপর আযানের শব্দ শুনে জেগে উউঠতেন এবং অপবিত্র হলে সর্বাগ্রে পানি বইয়ে গোসল করে নিতেন নতুবা ওযু করতেন। তারপর সালাত আদায় করতেন। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রাতের নামাজ দুই দুই রাকাআত (করে আদায় করতে হয়)। তুমি যদি ভোর হয়ে যাওয়ার ভয় কর তবে এক রাকাআত আদায় করে বিতর পূর্ণ করে নাও। বিতর নামাজকেই তোমার সর্বশেষ নামাজ কর। সহীহ শামায়েলে তিরমিযী, হাদিস নম্বরঃ ১৯৬, সুনানে নাসাঈঃ ১৬৮০; মুসনাদে আহমাদঃ ২৫৪৭৪; সহীহ ইবনে হিব্বানঃ ২৫৯৩ সূনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ৪৩৭ হাদিসের মানঃ সহিহ।
না, আপনার যদি প্রতিদিন শেষরাতে তাহাজ্জতের নামাজ পড়ার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনি বিতর নামাজ শেষ রাতে তাহাজ্জতের সাথে মিলিয়ে পড়লে ভালো হয় তাতে অধিক সয়াবের অধিকারি হওয়া যায়
তবে না পড়লেও কোনো ক্ষতি নেই এশার নামাজ এর পরে পড়েনিবেন....