পবিত্র আশুরা সম্পকে জানতে চাই?
আশুরা দিনটি কবে হয় কয় তারিেখঃ হয় আর এই দিনে
কি হয়েছিল আর পবিত্র আশুরা দিনটির জন্য মুসলমানদের কি করণীয়।
2462 views
1 Answers
মহররম মাসের ১০ তারিখ বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন দিন যাকে আশুরা বলা হয় হয়। এটি ইসলাম ধর্ম
অনুসারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
মুহররম মাসের দশম দিন ইসলামে বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন একটি দিন। প্রচলিত আছে যে, এই দিনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
এই দিনে প্রথম মানব আদি পিতা আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন আল্লাহ।
আদম (আঃ)-কে এদিনেই স্বর্গ বা জান্নাতে স্থান দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে এই দিনেই পৃথিবীতে পাঠিয়ে আল্লাহ তাকে প্রতিনিধি মনোনীত করেছেন।
নূহ (আঃ)-এর সময়কালে এই দিনে মহাপ্লাবন হয়।
ইব্রাহীম (আঃ) জন্ম নেন এই দিনে এবং মূসা (আঃ) ও তার সাথীরা ফেরাউনের কবল থেকে উদ্ধার পানও এই দিনে।
মূসা (আঃ) এর সমসাময়িক ফেরাউন ও তার সৈন্যদেরকে আল্লাহ এই দিনে নীল নদের পানিতে ডুবিয়ে মারেন।
ইউনুছ (আঃ) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান এই দিনে।
আইয়ূব (আঃ) রোগ মুক্তি পান এই দিনে।
ঈসা (আঃ) (খ্রিস্ট ধর্ম মতে যিশু) এই দিনে জন্ম নেন এবং পরবর্তিতে তাকে সশরীরে ঊর্ধ্বাকাশে উঠিয়ে নেয়া হয় এই দিনে।
নবী মুহাম্মদএর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রাঃ) এই দিন কারবালার ময়দানে ইয়েজিদের সৈন্যদের হাতে মৃত্যুবরণ করেন।
তবে কারো কারো মতে, নবী মূসা ও ফিরাউনের ঘটনা এবং ইমাম হুসাইনের ঘটনা ছাড়া অন্যগুলো এই দিনে ঘটেছিল বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়নি।
আশুরা দিনটির জন্য মুসলমানদের করণীয় হচ্ছেঃ
আশুরা দিবসে রোজা পালনের জন্য রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, রমজানের পর সর্বাধিক উত্তম রোজা হলো মহররম মাসের রোজা। আর ফরজের পরে সর্বাধিক উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। (মুসলিমঃ ১/৩৫৮)
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই রোজা নিজে পালন করেছেন। উম্মতকে রাখার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। তাই এর পূর্ণ অনুসরণ ও আনুগত্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে উম্মতের কল্যাণ। আবু কাতাদা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ)-কে আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এই রোজা বিগত বছরের গুনাহ মুছে দেয়। (মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)
মুসলিম শরিফে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত মহানবী (সাঃ) যখন আশুরার দিনে রোজা রাখেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন, তখন সাহাবিরা অবাক হয়ে বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইহুদি-নাসারারা তো এই দিনটিকে বড়দিন মনে করে। (আমরা যদি এই দিনে রোজা রাখি, তাহলে তো তাদের সঙ্গে সামঞ্জস্য হবে। তাদের প্রশ্নের উত্তরে রাসুল (সাঃ) বললেন, তারা যেহেতু এদিন একটি রোজা পালন করে আগামী বছর ইনশাআল্লাহ আমরা এই ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখ মিলিয়ে দুই দিন রোজা পালন করবো। (মুসলিমঃ ১১৩৪)
মুহররম মাসের দশম দিন ইসলামে বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন একটি দিন। প্রচলিত আছে যে, এই দিনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
এই দিনে প্রথম মানব আদি পিতা আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন আল্লাহ।
আদম (আঃ)-কে এদিনেই স্বর্গ বা জান্নাতে স্থান দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে এই দিনেই পৃথিবীতে পাঠিয়ে আল্লাহ তাকে প্রতিনিধি মনোনীত করেছেন।
নূহ (আঃ)-এর সময়কালে এই দিনে মহাপ্লাবন হয়।
ইব্রাহীম (আঃ) জন্ম নেন এই দিনে এবং মূসা (আঃ) ও তার সাথীরা ফেরাউনের কবল থেকে উদ্ধার পানও এই দিনে।
মূসা (আঃ) এর সমসাময়িক ফেরাউন ও তার সৈন্যদেরকে আল্লাহ এই দিনে নীল নদের পানিতে ডুবিয়ে মারেন।
ইউনুছ (আঃ) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান এই দিনে।
আইয়ূব (আঃ) রোগ মুক্তি পান এই দিনে।
ঈসা (আঃ) (খ্রিস্ট ধর্ম মতে যিশু) এই দিনে জন্ম নেন এবং পরবর্তিতে তাকে সশরীরে ঊর্ধ্বাকাশে উঠিয়ে নেয়া হয় এই দিনে।
নবী মুহাম্মদএর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রাঃ) এই দিন কারবালার ময়দানে ইয়েজিদের সৈন্যদের হাতে মৃত্যুবরণ করেন।
তবে কারো কারো মতে, নবী মূসা ও ফিরাউনের ঘটনা এবং ইমাম হুসাইনের ঘটনা ছাড়া অন্যগুলো এই দিনে ঘটেছিল বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়নি।
আশুরা দিনটির জন্য মুসলমানদের করণীয় হচ্ছেঃ
আশুরা দিবসে রোজা পালনের জন্য রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, রমজানের পর সর্বাধিক উত্তম রোজা হলো মহররম মাসের রোজা। আর ফরজের পরে সর্বাধিক উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। (মুসলিমঃ ১/৩৫৮)
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই রোজা নিজে পালন করেছেন। উম্মতকে রাখার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। তাই এর পূর্ণ অনুসরণ ও আনুগত্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে উম্মতের কল্যাণ। আবু কাতাদা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ)-কে আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এই রোজা বিগত বছরের গুনাহ মুছে দেয়। (মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)
মুসলিম শরিফে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত মহানবী (সাঃ) যখন আশুরার দিনে রোজা রাখেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন, তখন সাহাবিরা অবাক হয়ে বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইহুদি-নাসারারা তো এই দিনটিকে বড়দিন মনে করে। (আমরা যদি এই দিনে রোজা রাখি, তাহলে তো তাদের সঙ্গে সামঞ্জস্য হবে। তাদের প্রশ্নের উত্তরে রাসুল (সাঃ) বললেন, তারা যেহেতু এদিন একটি রোজা পালন করে আগামী বছর ইনশাআল্লাহ আমরা এই ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখ মিলিয়ে দুই দিন রোজা পালন করবো। (মুসলিমঃ ১১৩৪)
2462 views
Answered