কেও  যদি রাগের মাথায় এমন বলে যে, আল্লাহর কসম  আপনার  সাথে  আর জীবনে দেখা করব না, করলে যাতে আমার মরণ হয়।  পরে যদি উনার সাথে আবার দেখা করার দরকার পড়ে তাহলে কিি কাফফারা দিতে হবে?  # কাফফারার মধ্যে কি  দশ জন মিসকিন কে এক  বেলা খাওয়ানো  লাগে নাকি দুই বেলা?   দয়া করে মতামত জানাবে।   
5285 views

1 Answers

রাগের মাথায় কেউ যদি এমন বলে যে, আল্লাহর কসম আপনার সাথে আর জীবনে দেখা করব না, করলে যাতে আমার মরণ হয়। পরে যদি উনার সাথে আবার দেখা করার দরকার পড়ে তাহলে কাফফারা দিতে হবে। অথবা, আল্লাহর কসম আমি অমুক জায়গায় যাবো। কিন্তু তিনি পরে আর যেতে চাচ্ছেন না যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তখন তিনি যদি কসম ভেঙ্গে ফেলন তাহলে তিনি কসম ভাঙ্গার জন্য কাফফারা দেবেন। আর কাফফারা দেওয়ার পর না গেলেও কোনো সমস্যা নেই। সহীহ মুসলিমে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি শপথ করে, অতঃপর এটা ছাড়া মঙ্গল কিছু চোখে পড়ে তাহলে কাফফারা আদায় করে শপথ ভেঙ্গে দিয়ে ঐ সৎ কাজটি তার করা উচিত। (সহীহ মুসলিমঃ ১২৭২, ১২৭৩ জামি তিরমিযীঃ ৪/৯০, ৯১/১৫৩০) আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেনঃ হে ঈমানদারগণ ! তোমরা যা কর না তা তোমরা কেন বল? তোমরা যা কর না তোমাদের তা বলা আল্লাহর দৃষ্টিতে খুবই অসন্তোষজনক। (সুরা সফঃ ২/৩) আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ তোমাদের অর্থহীন শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন না, কিন্তু বুঝে সুঝে যে সব শপথ তোমরা কর তার জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন। এ পাকড়াও থেকে অব্যাহতির কাফফারা হলোঃ দশ জন মিসকিনকে মধ্যম মানের খাদ্যদান যা তোমরা তোমাদের স্ত্রী পরিবারকে খাইয়ে থাক, অথবা তাদেরকে বস্ত্রদান অথবা একজন ক্রীতদাস মুক্তকরণ। আর এগুলো করার যার সামর্থ্য নেই তার জন্য তিন দিন রোযা পালন। এগুলো হল তোমাদের শপথের কাফফারা যখন তোমরা শপথ কর। তোমরা তোমাদের শপথ রক্ষা করবে। আল্লাহ তার আয়াতসমূহ তোমাদের জন্য বিষদভাবে বর্ণনা করেন যাতে তোমরা শোকর আদায় কর। (সুরা মায়েদাঃ ৮৯) # কাফফারা হচ্ছে দশ জন মিসকিনকে এক বেলা মধ্যম মানের খাদ্য খাওয়ানো।

5285 views

Related Questions