2 Answers

আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এসেছে এই শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুঁচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশীসমূহের রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরেরঅরগানসমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।


আমাদের দেশে হিজামাকে সাধারণ অর্থে শিঙা লাগানো বলা হয়। অতি প্রাচীন এ চিকিৎসাপদ্ধতির উৎপত্তি আরবদেশে। হিজামাকে নবীর দেখানো বা বলা চিকিৎসা পদ্ধতি বলা হয়। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে উম্মতকে অবহিত করেছেন। তিনি নিজে এ পদ্ধতির চিকিৎসা ব্যবহার করেছেন এমনকি অন্যকে হিজামা পদ্ধতির চিকিৎসা নিতে উৎসাহিতও করেছেন। হিজামার ব্যবহার রাসূলুল্লাহ(সা.) ও সাহাবাদের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।

আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

2738 views Answered

হিজামা (আরবি: حجامة‎‎ অর্থ:"শোষণ")‎‏ হল শিঙ্গা লাগানো নামক প্রচলিত চিকিৎসার আরবি নামকরণ। মাথাব্যথা শরীরব্যথার মত অসুস্থতা নিরাময়ে এই চিকিৎসা প্রয়োগ করা হয়। হাদিসে এই চিকিৎসা পদ্ধতির প্রশংসা করা হয়েছে।সুত্রে- উইকিপিডিয়া। 

হাদীস শরীফে আরবি মাসের ১৭-১৯-২১ তারিখে হিজামা লাগানোর ব্যপারে বিশেষ গুরত্ব দেয়া হয়েছে। এজন্য কেউ সুন্নাত হিসেবে হিজামা নিতে চাইলে এই তারিখগুলোতে হিজামা নিলে ভাল।

আর কোন রোগের জন্য হিজামা নিলে যে কোন তারিখে নেয়া যায়। হাদীসে আছে তোমরা এই তারিখগুলিতে হিজামা নাও কারণ এতে শেফা রয়েছে।

অন্য হাদীসে আছে তোমরা যেসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা নাও তন্মধ্যে হিজামা সর্বোত্তম চিকিৎসা।

হিজামা এমন একটি চিকিৎসা যেটা মানুষের শরীরকে ফ্রেশ রাখে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, বড় বড় রোগ (যেমন হার্টের রোগ, কিডনির রোগ, লিভারের রোগ, ষ্ট্রোক) থেকে নিরাপদ রাখে।

কারন হিজামা দ্বারা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যায় এবং হিজামাই শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করার একমাত্র ন্যচারাল পদ্ধতি।

বিভিন্ন ব্যথা, উচ্চরক্তচাপ, কোলেষ্টরেল ইত্যাদির জন্য হিজামা খুবই উপকারী এবং পরিক্ষীত চিকিৎসা।

সুতরাং হিজামা নিন সুস্থ থাকুন।

2738 views Answered

Next steps