একটু সতর্ক হয়ে নেই৷ আমাদের ভুল হচ্ছে কি না?
অল্প পানির মধ্যে নাপাক পতিত বা মিশ্রিত হওয়ার দ্বারা পানি নাপাক হয়ে যায়। কিন্তু উক্ত পানির ছিটার দ্বারা পুরো শরীর বা পুরো কাপড় নাপাক হবে না৷
উক্ত মাসআলাটির সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা জানতে চাচ্ছি।
১)প্রসাব শেষে লিঙ্গ ধৌতের সময় যতটুকু প্রসাব পানির সাথে মিশ্রিত হয়ে আমার পায়ে এসে লাগলে পা নাপাক হয়ে যাবে?বা এই পানি অন্য কোথাও লাগলে সে স্থান টুকু নাপাক হয়ে যাবে?
২)যখন প্রসাবখানায় পানি ঢেলে দেই তা প্রথমে চারপাশে ছড়িয়ে এরপর আমার পা ছুঁয়ে নির্দিষ্ট স্থানে চলে যায়।এতে কি আমার পা নাপাক হয়?
৩)শরীরের কোন অঙ্গ ধৌত করার সময় সে পানি অন্য অঙ্গ দিয়ে যখন বয়ে যায়,তখন কি সে অঙ্গ ও নাপাক হয়ে যায়?পানি তো আটকানো যায়না,চারপাশে ছড়িয়ে যায় তাই।
উপরোক্ত বিষয় গুলো একটু ক্লিয়ার করে দিবেন কেউ?
আমল কবুল হচ্ছে কি না খুব সন্দেহ হচ্ছে।
নাপাক হচ্ছি কি না?
1 Answers
অল্প পানির মধ্যে নাপাক পতিত বা মিশ্রিত হওয়ার দ্বারা পানি নাপাক হয়ে যায়। কিন্তু উক্ত পানির ছিটার দ্বারা পুরো শরীর বা পুরো কাপড় নাপাক হবে না। তাই যে অঙ্গে বা কাপড়ে উক্ত পানির ছিটা পড়বে, অবশ্যই ঐ অঙ্গ বা কাপড়ের ওই অংশ ধৌত করে নিতে হবে সম্পুর্ন অঙ্গ বা কাপড় ধৌত করতে হবেনা। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তোমরা প্রসাবের অপবিত্রতার ব্যাপারে সতর্ক থাক। কারণ অধিকাংশ কবরের আযাব এর কারণে হয়ে থাকে (দারাকুতনীঃ ৪৭৬) ১। প্রসাব শেষে লিঙ্গ ধৌতের সময় যতটুকু প্রসাব পানির সাথে মিশ্রিত হয়ে পায়ে এসে লাগলে পা নাপাক হয়ে যাবে। বা এই পানি অন্য কোথাও লাগলে সে স্থান টুকুও নাপাক হয়ে যাবে। কেননা, মানুষের প্রসাব নাজাসাতে গলিজা। ২। যখন প্রসাব খানায় পানি ঢেলে দেওয়া হয় তা প্রথমে চারপাশে ছড়িয়ে এরপর পা ছুঁয়ে নির্দিষ্ট স্থানে চলে যায়। এতে পা নাপাক হয়। ৩। শরীরের কোন অঙ্গ ধৌত করার সময় সে পানি অন্য অঙ্গ দিয়ে যখন বয়ে যায়, তখন কি সে অঙ্গ ও নাপাক হয়ে যায়? এখানে আমার প্রশ্ন হচ্ছে শরীরে কি নাপাকি লেগেছিল? যদি নাপাক লাগে তাহলে শরীরের কোন অঙ্গ ধৌত করার সময় সে পানি অন্য অঙ্গ দিয়ে যখন বয়ে যায়, তখন সে অঙ্গ ও নাপাক হয়ে যায়। তাই ভালভাবে ধৌত করে নিতে হবে।