3 Answers

ফরজ নামাযের ইমামতি অবস্তায় যদি ইমাম সাহেবের অযু ভেঙ্গে যায় তাহলে তিনি কিরাত শুদ্ধ আছে এমন কোনো মুসল্লীকে তার প্রতিনিধি বানাবেন। যিনি বাকি নামাজ ইমাম হিসেবে মুসল্লীদের নিয়ে আদায় করবেন। আর যে ইমাম সাহেবের অযু ভঙ্গ হয়েছে তিনি অযু করে এসে তার ইকতেদা করবেন।

2851 views

নামাজে ইমামতি অবস্থায় ওযু ছুটে গেলে, ইমামের উচিত পেছনের মোক্তাদিদের থেকে মুয়াজ্জিন বা যে নামাজটা পরিচালনা করতে পারবে তাকে এগিয়ে দিয়ে তার পেছনের দিকে সরে আসা উচিত। ব্যাখ্যা: ওযু কে বলা হয় নামাজের চাবি। যদি ওযুই ছুটে যায় তাহলে তো নামাজই হবেনা।

2851 views

সালাতের মধ্যে যে ব্যক্তির হাদাছ ঘটে যায়, সে ফিরে যাবে। যদি সে ইমাম হয় তাহলে (পিছনে দাড়ানো) একজনকে স্থলবর্তী করবে এবং উযূ করে ‘বিনা’(ঐ ইমামের পিছনে ইকতাদা)  করবে। [কিয়াসের দাবী এই যে, নতুনভাবে সালাত শুরু করবে। এটাই হল ইমাম শাফিঈ (র.) এর মত। কেননা হাদাছ সালাতের বিপরীত। আর কিবলা থেকে ফিরে যাওয়া এবং হাটা-চলা করা সালাতকে ফাসিদ করে দেয়। সুতরাং তা ইচ্ছাকৃতভাবে হাদাছ ঘটানোর সদৃশ।]কিন্তু আমাদের দলীল হলো রাসূলুল্লাহ্ (সা.) এর বাণী- সালাতে যে ব্যক্তির বমি হয় কিংবা নাক থেকে রক্তক্ষরণ হয় কিংবা বায়ু বের হয়, সে যেন ফিরে যায় এবং উযূ করে আর নিজের (পূর্ব) সালাতের উপর ‘বিনা’(ইকতাদা) করে, যতক্ষণ না সে কথা বলে।

রাসূলুল্লাহ্ (সা.) আরো বলেছেন- তোমাদের কেউ যখন সালাত শুরু করে, তারপর বমি বমি হয় কিংবা নাক থেকে রক্তক্ষরণ হয়, তখন সে যেন তার মুখে হাত রাখে(কথা না বলে) এবং এমন কাউকে (ইমামতির জন্য) আগে বাড়িয়ে দেয়, যে কিছু সালাতের মাসবূক হয়নি। তবে নতুন করে পড়ে নেয়াই উত্তম। যাতে মতপার্থক্যের দ্বিধা থেকে বাচা যায়। কারো কারো মতে একাকী নতুন ভাবে পড়বে। আর ইমাম ও মুকতাদী হলে জামা’আতের ফযীলত সংরক্ষণ করার জন্য ‘বিনা’(পূর্ব নামাজে ইকতাদা) করবে।

যদি তাশাহুদের পরে সে হাদাছগ্রস্ত হয়, তাহলে উযূ করবে এবং সালাম ফিরাবে। কেননা সালাম ফিরানো ওয়াজিব। সুতরাং তা আদায় করার জন্য উযূ করা জরুরী। আর যদি এ অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে ‘হাদাছ’ ঘটায় কিংবা কথা বলে কিংবা এমন কোন কাজ করে, যা সালাতের বিপরীত, তাহলে তার সালাত পূর্ণ হয়ে যাবে। কেননা, সালাত ভঙ্গকারী বিদ্যমান হওয়ার কারণে ‘বিনা’(ইকতাদা) সম্ভব নয়। কিন্তু সালাত দোহরানো তার উপর জরুরী নয়।কেননা কোন রুকন তার যিম্মায় বাকি নেই।

2851 views

Related Questions