হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার দিকটি ইসলাম কোন চোখে দেখে। ইসলামে এই বিয়ে জায়েজ কী?
2866 views

3 Answers

ভাই আল কুরআনে আল্লাহ তাআলা এই বিয়ে নিষেধ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘ঈমান না আনা পর্যন্ত তোমরা মুশরিক (বহু স্রষ্টায় বিশ্বাসী) নারীকে বিয়ে কোরো না, যদিও মুশরিক নারী তোমাদের মুগ্ধ করে...। ঈমান না আনা পর্যন্ত তোমরা মুশরিক পুরুষের সঙ্গে (তোমাদের নারীদের) বিয়ে দিয়ো না, যদিও মুশরিক পুরুষ তোমাদের মুগ্ধ করে...।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২১)

অন্য আয়াতে এসেছে, ‘...তোমরা কাফির নারীদের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রেখো না...।’ (সুরা : মুমতাহিনা, আয়াত : ১০)


2866 views

হিন্দু -মুসলমান বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম!!

বিয়ে একটি ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন। নিজের খেয়াল-খুশি মতো এ বন্ধনের নিয়মে ব্যত্যয় ঘটাবার সুযোগ নেই। ইসলাম মানবজীবনের সব পর্যায়ের যাবতীয় উপলক্ষ ও অনুসর্গকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কেমন হবে, দিয়েছে তার দ্ব্যর্থহীন দিকনির্দেশনা। এই জীবনদিশা আল্লাহ প্রদত্ত বিধায় এর মধ্যে কোনো গলদ নেই। সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিয়ে সম্পর্কিত আল্লাহর নির্দেশনা অনুসরণের বিকল্প নেই। এর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা মানেই নিজেদের ধ্বংস নিজেরা ডেকে আনা। ব্যক্তি স্বাধীনতার নাম দিয়ে বল্গাহীনভাবে কিছু করার স্বাধীনতা ইসলামে নেই। 
মুসলিম হয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং মুমিন দাসী মুশরিক নারীর চেয়ে নিশ্চয় উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। আর মুশরিক পুরুষদের সাথে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। তারা তোমাদেরকে আগুনের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ তাঁর অনুমতিতে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহ্বান করেন এবং মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে’। {সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ২২১}

2866 views

মুসলিম ছেলের জন্য কোনো হিন্দু নারী বা কোনো মুশরিক নারী বিয়ে করা জায়েজ নেই। মুসলিম হয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং মুমিন দাসী মুশরিক নারীর চেয়ে নিশ্চয় উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। আর মুশরিক পুরুষদের সঙ্গে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। তারা তোমাদেরকে আগুনের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ তার অনুমতিতে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহ্বান করেন এবং মানুষের জন্য তার আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে। (সুরা আল-বাকারা, আয়াতঃ ২২১) তোমরা মুসরিক নারীদের কোনোভাবেই বিয়ে করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ঈমান আনবে। তারা যদি ঈমান আনে তবে তাদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে, অন্যথায় ইসলামি শরিয়তের মধ্যে এ বিয়ে হারাম এবং এ বিয়ের কোনো ধরনের বৈধতা নেই, বাতিল বলে গণ্য হবে। ইসলাম যেটাকে অনুমোদন দেয় না, এ ধরনের কাজে যদি কেহ লিপ্ত হয়ে থাকে তার ঈমানের বিষয়টি সম্পর্কে আধিকাংশ আল তাহকীক- মাহকীক ওলামায়েকেরাম বলেছেন, এর মাধ্যমে সে মূলত কুফরির মধ্যে লিপ্ত হলো। প্রকাশ্য হারামকে হালাল করার জন্য সে কুফরির মধ্যে লিপ্ত হলো। মুসলিম হয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করা হারাম। যা সমাজের মানুষের চোখেও নিকৃষ্ট কাজ।

2866 views

Related Questions