1 Answers

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন - তোমার ঈমানকে খাঁটি কর, অল্প আমলই নাজাতের জন্য যথেষ্ট হইবে। পবিত্রতা অর্জনের জন্য ওজু করা হলে তা হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল।


অযুর ফজিলত হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত-


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে অজু করে অতঃপর বলে, ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ।’ তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে। যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, সে প্রবেশ করতে পারবে। (মুসলিম, তিরমিজি)


অপর একটি হাদিসে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, (মুসলিম বা মুমিন) বান্দা ওজু করার সময়, যখন সে মুখমণ্ডল ধৌত করে তখন পানির সঙ্গে ওই সব গুনাহ বের হয়ে যায়, যা সে দু’চোখ দ্বারা করেছিল। যখন সে দুই হাত ধৌত করে তখন হাত দ্বারা করা গুনাহ পানির সঙ্গে বের হয়ে যায়, যখন সে দু’পা ধৌত করে তখন পা দ্বারা সংঘটিত গুনাহ পানির সঙ্গে বের হয়ে যায়। এভাবে সে গুনাহ থেকে পরিত্রাণ লাভ করে। (মুসলিম)


কিয়ামতের দিন ময়দানে  মুমিন বান্দাকে চেনবার  একমাত্র উপায় হলো  এই ওজু। যারা দুনিয়াতে (আল্লাহর হুকুম-আহকাম পালনে) ওজু করবে কিয়ামাতের দিবসে তাদের অঙ্গগুলো ওজুর কারণে নূরের আলোয় ঝলমল করতে থাকবে। 


যা দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে খুঁজে বের করে নিবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোনো মুসলিম যখন উত্তমরূপে অজু করত তার চেহারা ও মন উভয়কে আল্লাহ অভিমুখী করে (নামাজে) দণ্ডায়মান হয় এবং দু’রাকাত নামাজ আদায় করে তখন তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। (মুসলিম)


ওজুর আমলগুলো হলো - 

  • তারতীব তধা ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উত্তম পদ্ধতিতে ওজু করা।
  • আল্লাহর নাম নিয়ে ওজু করা তথা ওজুর দোয়া পড়া।
  •  ওজু করার পর নামাজের দণ্ডায়মান হওয়া।

আমলের পুরষ্কারগুলো হলো- 

  • ওজুর পানির সঙ্গে মানুষের গুনাহ চলে যায়।
  • হাশরের ময়দানে মানুষের ওজুর স্থানগুলো ঝলমল করবে। যা দেখে দেখে উম্মাতে মুহাম্মাদিকে চিহ্নিত করা হবে।
  • যার আল্লাহর হুকুম পালনার্থে ওজু করবে, তাদের জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।
  •  জান্নাতের সবকটি দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

3139 views

Related Questions