3 Answers
শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে ফুসফুস অন্যতম। আমরা শ্বাস নিলে সুস্থ ফুসফুস অক্সিজেন গ্রহণ করে। এরপর এই অক্সিজেন রক্তের মধ্যে ছড়িয়ে যায়।এই অক্সিজেন পরিবাহিত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছায়। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, অর্থাৎ ফুসফুস সুস্থ রাখা জরুরি। বিশ্বব্যাপী বহু মানুষ ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত। ফুসফুসের সমস্যার একটি বড় কারণ ধূমপান। এ ছাড়া পরিবেশদূষণ, গাড়ির কালো ধোঁয়া, ধুলাবালি ইত্যাদি ফুসফুসের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। ফুসফুসের সমস্যার কিছু লক্ষণের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি। চলুন জানি সেগুলো। ১. দীর্ঘমেয়াদি কাশি ফুসফুস ঠিকঠাকমতো কাজ করছে না, এর অন্যতম লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদি কাশি। একে ফুসফুসের সমস্যার প্রথম লক্ষণও বলা যায়। ওষুধ খাওয়ার পরও কাশি ভালো না হলে বা কাশি চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ২. ছোট শ্বাস বা শর্ট ব্রেথ ছোট শ্বাস বা শর্ট ব্রেথ ফুসফুসের সমস্যার আরো একটি লক্ষণ। এর মানে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে ফুসফুসের কষ্ট হচ্ছে। যদি শ্বাস ছোট হয়, তাহলে কেবল বয়স বাড়ছে, এটি না ভেবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ৩. শ্লেষ্মা তৈরি হওয়া শ্লেষ্মা ফুসফুসে আটকে থাকা জীবাণু বের করে দেয়। তবে ঠান্ডা বা কোনো রোগ ছাড়াই অনেক বেশি শ্লেষ্মা তৈরি হলে, এটি ফুসফুসের সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। এমন হলে চিকিৎসকের কাছে যান।
ফুসফুস বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্হ হতে পারে।যেমন ভারী ধাতু যেমন নিকেল,ক্যাডমিয়াম,লেড,ক্রোমিয়াম এগুলো ফুসফুসে গেলে চরম ক্ষতি করে।আবার কিছু বিষাক্ত গ্যাস যেমন নাইট্রোজেন অক্সাইড,কার্বন মনোঅক্সাইড,সালফার ডাইঅক্সাইড ফুসফুসে গেলে খুব ক্ষতি করে।মূলত ধোয়া ও ধূলিকণা ফুসফুসের ক্ষতি করে।
image ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হলে আপনার স্বাভাবিক কার্যক্রমের সময় শ্বাস নিতে সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী কাশি থাকে (ঠান্ডা লাগা ছাড়া)। আপনার শ্বাসকষ্ট হবে,শ্বাস নিতে সমস্যা এবং বুকব্যথা হবে। আপনি গভীর শ্বাস নিতে পারেন না। আপনার কাশির সঙ্গে রক্ত আসবে।