3 Answers
মিসওয়াক করলে দাঁত পরিষ্কার হয়, মুখের দূর্গন্ধ দূর হয়, মাঁড়ি শক্ত হয়। মিসওয়াক করা সুন্নত। এতে সওয়াব লাভ করা যায়।
১।মেসওয়াক করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন ২।নামাজের সওয়াব সাতাত্তর গুন বৃদ্ধি পায় ৩।স্বচ্ছলতা আসে ৪।মুখ সুঘ্রাণ হয় ৫।দাঁতের মাড়ি শক্ত হয় ৬।মাথা ব্যাথা সেরে যায় ৭।চোয়ালের ব্যথা দূর হয় ৮।ফেরেশতাগণ মোসাফাহা করেন ৯।চেহারা উজ্জ্বল হয় ১০।দাঁত উজ্জ্বল হয় ১১।দাঁতের সবুজ রঙ দূর করে ১২।দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে ১৩।মুখ পরিষ্কার করে ১৪।কফ দূর করে ১৫।সুন্নতের অনুসরণ করা হয় ১৬।শরীর সুস্থ থাকে।
মেসওয়াকের ফজীলত ও গুরুত্ব। হাদিসে আলোকে মেসওয়াকের ফজীলত গুরুত্ব। ১। হজরত আবু হুরাইরা (রাজি) থেকে বণিত যে রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলািহি ওয়াছাল্লাম বলেছেন । যদি আমার উম্মতের উপর কষ্টকর না হত তাহলে প্রতি নামাযের জন্যই মেসওয়াক করা নিদের্শ করতাম। (বুখারী) মেসওয়াক করার উপকারিতা । হযরত আবু দারদা (রাজি) থেকে বণিত। তিনি বলেছেন তোমারা মেসওয়াক করা থেকে উদাসীন হয়ো না কেননা তাহাতে চৌদ্দটি গুণ রয়েছে ১.এর দারা আল্লাহ তাল্লা সন্তুষ্টি অজন হয়। ২.দাঁতে হলুদ বণ দুর হয়। ৩.ভাষা সুন্দর হয় । ৪ .মৃত্যুর সময় কালিমায়ে শাহাদাত নছীব হয় । ৬. দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়। ৭.দাঁতে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়। ৮.দাঁত শক্তি থাকে। ৯. জান্নাতে মযাদা বৃদ্ধি পায় ।১০.শয়তান অসন্তুষ্ট হয়।১১. এবাদতে শক্তি পাওয়ার যায়।১২.দাঁতে পীড়া ব্যাথা দুর হয়। ১৩. মেসওয়াক করা দারা ফেরেশতাগণ খুশী হয়।১৪. চেহারা সুন্দর হয়।