5 Answers
বিয়ে করতে হলে আপনার বয়সের তেমন কোনো বাধা নেই।যে কোনো বয়সেই বিয়ে করতে পারেন।তবে সামর্থ হওয়াটা জরুরী।আল্লাহ্ পাক এর প্রতি অবশ্যই দৃঢ় বিশ্বাস রাখবেন।।আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ুন।তাহলে আপনার সংসারে কোনো অভাব থাকবেনা।আপনি অর্থ আয়ের একটি হালাল উপায় তালাশ করুন।কিছু টাকা ক্যাশ করে বিয়ে ফেলুন।অভাবের কোনো ভয় মনে রাখবেননা কারণ আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে রিজিক দেন।দ্রুত বিয়ে করতে চাইলে এখনই নিজের অর্থ আয় করার প্রতি মনোযোগী হোন।ধন্যবাদ।
বিবাহের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বয়সের কথা ইসলাম বলে নি। হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ﻳَﺎﻣَﻌْﺸَﺮَ ﺍﻟﺸَّﺒَﺎﺏِ ﻣَﻦِ ﺍﺳْﺘَﻄَﺎﻉَ ﻣِﻨْﻜُﻢُ ﺍﻟْﺒَﺎﺀَﺓَ ﻓَﻠْﻴَﺘَﺰَﻭَّﺝْ، ﻓَﺈِﻧَّﻪُﺃَﻏَﺾُّ ﻟِﻠْﺒَﺼَﺮِ ﻭَﺃَﺣْﺼَﻦُ ﻟِﻠْﻔَﺮْﺝِ ﻭَﻣَﻦْ ﻟَﻢْ ﻳَﺴْﺘَﻄِﻊْ ﻓَﻌَﻠَﻴْﻪِﺑِﺎﻟﺼَّﻮْﻡِ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﻪُ ﻭِﺟَﺎﺀٌ হে যুবসমাজ! তোমাদেরমধ্যে যারা বিবাহের সামর্থ্য রাখে, তাদের বিবাহ করা কর্তব্য। কেননা বিবাহ হয় দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী, যৌনাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষাকারী। আর যার সামর্থ্য নেই সে যেন রোজা পালন করে। কেননা রোজা হচ্ছে যৌবনকে দমন করার মাধ্যম। (বুখারী ৫০৬৫; মুসলিম ১৪০০) উক্ত হাদিস থেকে বুঝা যায়, কোন ব্যক্তি সামর্থ্যবান হলেই বিয়ে করে নেয়া উচিত। আর যেহেতু ব্যক্তি হিসেবে শক্তি সামর্থ্য ভিন্ন হয়ে থাকে; অনেকে অল্প বয়সেই সামর্থ্যবান হয়ে যায়, অনেকের একটু সময় লাগে, তাই যৌক্তিকতার দাবী হল, এর জন্য বয়স ঠিক না করা। এজন্য ইসলামে বিয়ের বয়স নির্ধারণ করা হয় নি। তবে হ্যাঁ, ছেলে মেয়ে বিয়ের ক্ষেত্রে দেরি করা ঠিক নয়। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, من وُلِدَ لَهُ وَلَدٌ فَلْيُحْسِنِ اسْمَهُ وَأَدَبَهُ فَإِذَا بَلَغَ فَلْيُزَوِّجْهُ فَإِنْ بَلَغَ وَلَمْ يُزَوِّجْهُ فَأَصَابَ إِثْمًا فَإِنَّمَا إثمه على أَبِيه তোমাদের মাঝে যার কোন (পুত্র বা কন্যা) সন্তান জন্ম হয় সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব কায়দা শিক্ষা দেয়; যখন সে বালেগ অর্থাৎ সাবালক/সাবালিকা হয়, তখন যেন তার বিয়ে দেয়; যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিয়ে না দেয় তাহলে, সে কোন পাপ করলে উক্ত পাপের দায়ভার তার পিতার উপর বর্তাবে। (বাইহাকি ৮১৪৫)
আমার মতে বিয়ে করার জন্য উপযুক্ত সময় হচ্ছে ২৫ থেকে ২৭ বৎসর এর মধ্যে।কেনোনা একজন পুরুষ এই সময়ে নিজের পায়ে দাড়াতে পারে।
ছেলেদের বিয়ের উপযুক্ত বয়স ২১ বছর । যেকোনো ছেলে ২১ বছর বয়সে বিয়ে করতে পারে এবং এটি একটি উপযুক্ত সময় । আর তার আগে বিয়ে করতে পারবে তবে আপনার সামর্থ্য থাকে হবে । বিয়ের আগে আপনার একটা বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে আপনি বিয়ে করার জন্য যে যে জিনিস গুলো দরকার তার আপনার কাছে আছে কিনা । তারপর বিয়েতে বসবেন । ধন্যবাদ ।
প্রথমে আইনের দিক থেকে বললে বলতে পারি বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী ছেলেদের বিয়ের সঠিক বয়স হলো ২১ বছরে বিয়ে করা। আসলে ২১ বছরের নিচে যে বিয়ে দেওয়া হয় সেটাকে বাল্যবিবাহ বলা হয়। ২১ বছরটাও কম বলে মনেহয় যখন কেউ নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত থাকে। ক্যারিয়ারের কথায় আসলে ২৪ বছর বয়সে বিয়ে করাই উত্তম। তবে তার থেকে উত্তম হলো চাকরি পাবার পর বিয়ে করা। অনেক মেয়েরই একটা স্বপ্ন থাকে সেটা হলো তার স্বামী একজন কর্মমূখী মানুষ হবে। স্বামী রোজগার করবে। ইসলামের দিক থেকে -
"একটি হাদিসে বলা হয়েছে - যে ব্যক্তি বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে সে যেহন বিবাহ করে আর যে সামর্থ্য রাখেনা সে যেন সিয়াম পালন করে।"