1 Answers

মৃত্যুর সময় মৃত ব্যাক্তির মুখে জোরপূর্বক পানি দেয়া উচিত নয়। বরং যা করতে হবে তা হলোঃ মুসলমানদের মৃত্যুর মুহুর্তে বেশ কিছু কাজ জরুরিভাবে করার জন্য মহানবী (সাঃ) বলেছেন। মৃত্যুর সময়ে যারা মৃ্ত্যু পথযাত্রী ব্যক্তির সামনে থাকবে তাদের রয়েছে কিছু করণীয়। যা উপস্থিত জীবিতদের জন্য আবশ্যক হয়ে যায়। যেমন, মৃত্যু পথযাত্রী ব্যক্তিকে তাওবা পাঠ করানোর চেষ্টা করা, কালিমা পড়ানোর চেষ্টা করা, যে কোন দোয়া বেশি বেশি পাঠ করানোর চেষ্টা করা, শয্যার পাশে বেশি বেশি কোরআন তেলায়াত করা। হজরত মুয়াজ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তির শেষ কথা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ হবে। অর্থাৎ কালেমা পড়তে পড়তে যার মৃত্যু হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সুনানে আবু দাঊদঃ ৩১১৬) অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদেরকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ স্মরণ করিয়ে দাও। (সহিহ মুসলিমঃ ৯১৬) মুরগির শরীরে হারাম মাংশ বলে কোন টুকরা নেই। আল্লাহ তাআলা যা হালাল করেছেন তা হালাল, যা হারাম করেছেন তা হারাম। তবে হালাল প্রাণীর আটটি অংশ খাওয়া নিষেধ। ১. পুরুষ লিঙ্গ। ২. স্ত্রী লিঙ্গ। ৩. মুত্রথলি। ৪. মেরুদণ্ডের ভেতরের মগজ বা সাদা রগ। ৫. পিত্ত। ৬. অন্ডকোষ। ৭. চামড়ার নিচের টিউমারের মতো উঁচু গোশত। ৮. প্রবাহিত রক্ত। তবে এগুলোর মধ্যে ৮ম প্রকার প্রবাহিত রক্ত অকাট্য হারাম, বাকিগুলো মাকরুহে তাহরিমি। (আহসানুল ফাতাওয়াঃ ৭/ ৪০৭) মুরগির জবাই কৃত স্থান খাওয়া যায়না এটা কুসংস্কার। কেননা তা হারামের অন্তর্ভুক্ত নয়।

2969 views Answered

Related Questions

Next steps