আমি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষাথী। ২০২০ সালে ফাইনাল পরীক্ষা দিবো।পরীক্ষার আর মাত্র ৬মাস বাকি।কিছু পডতে পারিনাই।অথচ সাবজেক্ট হলো ১৩ টা ।অংক ভালো বুঝিনা।বেশি হলে ৩টা চ্যাপটারের অংক বুঝি।মাদ্রাসায় আবার পডা বেশি ।একাধিক মুখস্ত করা লাগে।আরবী আছে।আবার ইংরেজীতে ঝামেলা।গ্রামার বুঝে প্রশ্নের উত্তর পারিনা।রাইটিং মুখস্ত লাগে।এখন কি করতে পারি।সময় অল্প।৬মাসও নেই ।৫মাসই ধরেন।এখন ১৩টি বিষয় প্রতিদিন কিভাবে কতটুকু করে পডবো।এই ঝামেলা থেকে মুক্তির জন্য বিস্তারিত মতামত চাই সবার।দয়াকরে বলবেন।অন্যদিকে মোবাইলের নেশা,ইউটিউবের নেশা।ফেইজবুক,বিস্ময়,ফ্রিবেসিক।ফোন ম্যামোরি ভিডিও অডিও নেশা থেকে ফিরে লেখাপডায় মন বসাতে চাই।লেখাপডায় মন বসানোর জন্য কি করতে হবে।উক্ত নেশা থেকে বাঁচতে চাই।৫মাস ভালোবভাবে পডে গোল্ডেন পেলাস পেতে চাই ফাইভে যেরকম পেয়েছি এসএসসিতেও।পিলিজ বলবেন।আবার হাতের লেখাও ধিরুজ।
2791 views

1 Answers

  আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে। কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। নিজের পড়া: নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে। আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে।   ১.পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী।     ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন   ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকরুন ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন।    ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময়, অডিও ভিডিও, টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যেটি হয়তো ৫ মিনিটের নামে দু- ঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে।    ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ।    ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন।   ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত  করুন, তা যত ছোটই হোক।    ৯. যেখানে আপনি পড়তে কমফোর্ট ফিল করবেন, সেখানেই পড়বেন। সবসময় একই জায়গায় বা পরিবেশে পড়ার চেষ্টা করবেন।    ১০. এমন জায়গায় পড়তে বসুন যেখানে আপনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারবেন 

2791 views

Related Questions