2 Answers

ঘুষঃ কোনো কাজের জন্য সুপারিশ করে এর পরিবর্তে অর্থ বা কোনো উপহার প্রদান করা হচ্ছে ঘুষ। যেমনঃ আপনি আমার পরীক্ষার খাতা দেখবেন আপনাকে কিছু টাকা দিয়ে নম্বর বেশি দিতে বললাম, এখানে টাকাগুলো ঘুষ হিসেবে ধরা হবে।  যুলুমঃ কোনো অনৈতিক বা সমাজে অগ্রহণযোগ্য কাজ হচ্ছে যুলুম। যেমনঃ ঘুষ দেওয়া, মিথ্যা বলা, চুরি করা, প্রতারণা করা ইত্যাদি। 

2887 views Answered

হ্যা!পার্থক্য আছে৷ তবে ঘুষও একধরনের যুলুম৷  ঘুষ-যা কোন কাজের সুপারিশ এর ক্ষেত্রে সুপারিশকারীর পক্ষ থেকে কর্তা অন্যায়ভাবে টাকা/উপহার আদায় করে নেয়৷ /সুপারিশকারী অন্যায়ের পক্ষে কর্তাকে দেয়৷ ঘুষ বিশেষত যখন আদায় করে নেওয়া হয় তখন তা জুলুমের পর্যায়ে পড়ে যায়৷ কারণ সুপারিশকারীর কাছে এর বিকল্প কোন পথ থাকে না৷ আর যখন অন্যায় আবদার/সুপারিশ পর পরিবর্তে সুপারিশকারী নিজে দেয় তা জুলুম না হলেও বড় পাপও অন্যায়৷ (হুজুর পাক সাঃ বলেন ঘুষ দেওয়া নেওয়া উভয়টা হারাম৷)  ★যুলুম-অন্যের ক্ষতি সাধনকারী /সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী সমস্ত কাজই জুলুম৷ যেমন-ক্ষমতার দাপটে কাওকে অন্যায়ভাবে আঘাত করা,চাঁদা আদায় করা,কারো সম্পদ লুটে নেওয়া৷ ইত্যাদি ইত্যাদি                    

2887 views Answered

Next steps