1 Answers

এটি নির্দিষ্ট ভাবে বলা সম্ভব নয়। সাধারণত নেফ্রনের বিভিন্ন অংশের সক্রিয়তার ফলে দেহেও পক্ষে ক্ষতিকারক অথবা অপ্রয়োজনীয় জৈব ও অজৈব পদার্থ দিয়ে তৈরী স্বল্প অম্লধর্মী ও সামান্য হলুদ বা বর্নহীন তরল তৈরী হয়ে গোবিনী দিয়ে গিয়ে সাময়িকভাবে মূত্রাশয়ে সঞ্চিত হয় এবং পরে মূত্রনালী দিয়ে দেহের বাইরে নির্গত হয়,একেই আমরা প্রস্রাব বলে থাকি। আপনি যদি দিনে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করেন তাহলে সেই জলের ১০ভাগ মুত্র আকারে বার হতে পারে।মূত্রের প্রায় ৯০ ভাগ উপাদান হল পানি। 

2565 views

Related Questions