3 Answers
আপনি মনে হয় সেজদার আয়াতের কথা বলছেন।।যদি সূরা পড়তে গিয়ে কোনো সিজদাহ আয়াত এসে যায় তাহলে আপনাকে সিজদাহ করতে হবে না করলে আপনি গুনাহগার হবেন।।। তেলাওয়াতে সিজদার ১৪ টি আয়াত ( সুরানং ও আয়াত ও পারা নাম্বার সহ ) দেয়া হলােঃ সূরা আরাফ ২০৬ { পারা ৯ } সূরা রাদ ১৫ { পারা ১৩ } সূরা নাহল ৫০ { পারা ১৪ } সূরা বণী ইসরাঈল ১০৯ { পারা ১৫ } সূরা মারইয়াম ৫৮ { পারা ১৬ } সূরা হজ্জ ১৮ ( ইমাম শাফেয়ীর মতে ৭৭ ) { পারা ১৭ } সূরা ফুরকান ৬০ { পারা ১৯ } সূরা নামল ২৬ { পারা ১৯ } সূরা সাজদাহ ১৫ { পারা ২১ } সূরা সােয়াদ ২৪ { পারা ২৩ } সূরা হা মীম সেজদাহ ৩৮ { পারা ২৪ } সূরা নাজম ৬২ { পারা ২৭ } সূরা ইনশিকাক ২১ { পারা ৩০ } সূরা আলাক্ব ১৯ { পারা ৩০ }
তবে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়ে নতুন সুরা শুরু করা উচিৎ। কেবলমাত্র সুরা তওবা পুর্বের সুরার সাথে মিলিয়ে পড়তে হয়।
তেলাওয়াতের শুরুতে আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ উভয়টি পড়বে।আর পড়তে পড়তে যদি তেলাওয়াতের মধ্যখানে কোন সূরা আসে,তখন শুধুই বিসমিল্লাহ পড়বে,আউজুবিল্লাহ পড়বে না। আর যদি সেই সূরা, সূরাতুত্তাওবা হয় তবে বিসমিল্লাহ পড়বে না। মানে আপনার প্রশ্নের উত্তর হলো। সে ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে।