বিবাহিত জীবনে অন্যের প্রতি আকৃষ্ট কেন হয়?

আমার বিয়ের ৩বছর প্রায়।এখন আমাকে বিয়ের ১বছর পর পরই আমাকে কেউ ফলো করত যেমন আমি যেদিক দিয়ে যেতাম সেখানে দারিয়ে থাকত দেখতও।আমি বাসার নিচে রিক্সা থামালে সে আমাকে দেখত কিন্তু আমি স্বাভাবিক ভাবে নিতাম।কিন্তু এটা মাঝে মদ্ধে হত( আমই যখন আমার আম্মুর বাসায় যেতাম তার একটা সপ আছে) এখন রোজায় তার সপ টি বন্ধ ছিল। এখন আমার মন তার প্রতি খুব টানছে তাদের আরকটা সপ আছে এক্তু দূরে। সেদিকে কোনো কারন ছারাই আমি আসা যাওয়া করতে ভাল লাগে। আর তাকে আমি একটু কম দেখতে পেলে খুব মন খারাপ হয়। এখন আমি তার নাম জানিনা।আর তাকে খুব দেখতে ইচ্ছে হয়।   কেন এমন হচ্ছে? আমার বেবি আছে বর টা একটু অন্য রকমের ভালবাসে কম। সেক্স টা বেশি পছন্দ করে।আমি তার প্রতি খুবি বিরক্ত ফিল করি।এটা বিয়ের পর থেকেই। 
2944 views

2 Answers

 প্লিজ আপু আমার কথা গুলো মন দিয়ে পড়বেন।

আপু আমি মনে করি আপনি আপনার স্বামী সংসার নিয়েই সুখে থাকার চেস্টা করুন। আপু স্বামী যতই খারাপ হোক না কেনো স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেস্ত।

মানলাম আপনার স্বামী আপনাকে কম ভালোবাসে কিন্তু সেক্স বেশি পছন্দ করে এটা স্বাভাবিক কেনো না নারীদের চেয়ে পুরুষের সেক্স চাহিদা একটু বেশিই থাকে আর এই সেক্স এর মাধ্যমেই আছে স্বামী স্ত্রীর গভির ভালোবাসা গভির সম্পর্ক। যে নারী একবার যে পুরুষের সাথে মিলন করে সেই পুরুষকে এর প্রতি নাকি ঐ নারীর  আকৃষ্ট বেশি হয়।হ্যা আপু এটাই বাস্ত কথা।  আপু আপনি যে সেক্স এর প্রতি অনিহা ফিল করেন সেই সেক্স এর মাধ্যমেই আপনার জন্ম। আর এই সেক্স এর জন্যই স্বামী স্ত্রীর গভির সম্পর্ক জরিয়ে থাকে।  


আপু আপনার বিয়ের ৩ বছর হলো আর আপনি কি না আপনার স্বামী সন্তান ছেড়ে অন্য পূরুষের দিকে নজর দিয়েছেন আপু একবার কি ভেবে দেখেছেন হতে পারে আপনি এই সুন্দর সংসার ছেড়ে ঐ পুরুষের সাথে বিয়ে হলে আপনার কি অবস্তা হবে হতে পারে আপনার এই স্বামীর চেয়ে সে অনেক খারাপ হলো সে আপনাকে শারীরিক ও মানুষিক ও সেক্স বিষয়ে বেশি টর্চার করে তাহলে আপনি তখন কই যাবেন। আপনি দুই কুল হারাবেন। 


আর এবারো এটাও ভেবে দেখুন আপনার বিবাহিতা স্বামী কতই না আপনাকে ভালোবাসে আপনি তা আপনার মাঝেই বুঝে নিন তাকে পরিক্ষা করুন বুঝতে পারবেন। আপু একজন স্বমীর কাছে সব তার আদরের স্ত্রী যা আপনাকে আগামী মৃতুর আগ পর্যন্ত আপনাকে জীবন সাথি করেছে আর আপনি কি না সেই বিশ্বাস কে ভঙ্গ করে আপনি অন্য পুরুষের চিন্তাভাবনা করেন এটা অনেক অপরাত এটা যেকোন ধর্ম মেনে নিবে না।


আপু প্রতিটা মানুষ বিশ্বাসের উপর বেচে আছে এটা ভেবে যে আমার সৃষ্টি কর্তা আমার আল্লাহ,আমার জন্ম আমার মায়ের গর্ভ থেকে আমারা নিজে রা কখনোই বলতে পারি না আমি আমার মায়ের গর্ভে ছিলাম দাদি নানি বলে আমি নাকি আমার মায়ের গর্ভে থেকে এসেছি হ্যা আপু এটাই বাস্তব আর এটাইই আমি আপনি বিশ্বাস করি।


প্লিজ আপু বুঝার চেস্টা করেন  আপনি যে স্বামীর সাথে গত ৩ বছর ধরে সংসার করেও আপনাদের মাঝে ভালোবাসা তৈরি হয় নি তাহলে এই স্বামীকে ছেরে অন্য পুরুষের মাঝে কিভাবে ভালোবাসা তৈরি করতে  পারবেন  সেটা আপনিই ভালো জানেন।  মনে রাখবেন স্বামী স্ত্রীর পবিত্র ভালোবাসা,পবিত্র বন্ধন যা মৃতুর পরেও ফুরিয়ে যায় না।আর আপনার মাঝে কি রকম ভালোবাসা তৈরি হলো তা ৩ বছরের পরেও বুঝলেন না।


আপু সংসারে হাসি আন্দন,অভিমান,তর্ক, ঝগড়া, রাঘ, ভালবাসা,কান্না, সব গুলোই থাকে যা নারীদের সব কিছু মেনে নিতে হয় কেনো না একজন নারীর সব কিছু তার স্বামি কে নিয়ে।  


তাই বলবো আপু প্লিজ আপনি আপনার সুখের সংসার নিয়ে সুখে থাকুন আপনার স্বামী সন্তানকে নিয়ে সুখে থাকুন এটাই সবাই চায়।।


আপু আপনার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য মজা করে বলুনতো যে আপনাকে একজন ছেলে আপনাকে  ভালোবাসে আপনাকে বিরক্ত করে  তাহলে দেখুন আপনার স্বামি কি বলে বা কি করে।


আশা করি আমার কথা গুলো বুঝবেন।


2944 views Answered

১/ভালবাসা সৃষ্টি হয় এমনি ভাবে যখন আপনি বুঝতেছিলেন যেছেলেটি আপনাকে বার বার দেখতেছে এবং এই বিষয়টা( তথা কেউ আমাকে দেখতেছে) এইটা আপনার কাছে ভাল লাগতে থাকে এবং এর দ্বারা আপনি আনন্দ বা খুশী অনুভব করকে থাকেন। আস্তে আস্তে এই ভাল লাগাটা বাড়তে থাকে। আর ভালবাসার ৬ টি স্তর "হাইয়াতুল হাইওয়ান" নামে আরবি বইটিতে

উল্লেখ করা হয়েছে (বইটির বাংলা অনুবাদ ও হয়েছে) উক্ত বইয়ে

ভালবাসার প্রথম স্তর কাহারো কোন কাজ বা কোন গুন বার বার "ভাললাগ" থেকে ভালবাসা সৃষ্টি হয়ে থাকে।

সে হিসেবে  ছেলেটির বার বার আপনাকে দেখতে থাকা এবং ছেলেটির এই বিষয়টা আপনার কাছে বার বার ভাল লাগতে থাকে।যার ফলে এখন আর সে আপনাকে ফলো / না দেখলে আপনি উক্ত ভাল লাগা বা খুশি হওয়াটা অনুভব না হওয়ায় আপনার অন্তর তার খোঁজে ছটফট করতে থাকে।

২/ আপনার দ্বিতীয় কারনে আমি তানজির আহম্মদের কথা উল্লেখ ককরলাম মানুষ কেন পরকীয়ায় জড়ায়, এ বিষয়ে তানজির আহম্মদ বলেন, এক ধরনের প্রয়োজন বা চাহিদার কারণে মানুষ পরকীয়ায় জড়ায়। অনেক সময় শারীরিক প্রয়োজন থাকে। আর্থিক প্রয়োজন থাকে। স্ট্যাটাস বাড়ানোর জন্যও কেউ কেউ পরকীয়ায় জড়ায়। অনেক সময় মানসিক প্রয়োজন থাকে। আবার কিছু বিষয় শেয়ার করতে করতে অনেকে একসময় পরকীয়ায় জড়িয়ে যায়। 


সুতরাং আপনি যদি ইসলামিক বিধান মেনে পর্দা করতেন তাহলে আপনাকে কোন ছেলে ফলো করতো না এবং কাহারো এমন পরিস্থিতির ও সম্মুখীন হইতে হতো না।

আপনি পর্দা মেনে চলেন আর উক্ত ব্যক্তি থেকে এড়িয়ে চলুন এবং আপনার স্বামীকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করুন।

ইনশাআল্লাহ সব কিছু ধীরে ধীরে সমাধান হয়ে যাবে।

2944 views Answered

Related Questions

Next steps