আমি একটা কথা জানতে ইচ্ছুক নিয়মিত মাসিক না হলে কি করনিও.. মনে করেন যে মাসিক হওয়ার ১ তারিখে সে মাসিক হয় ১০/১৫ তারিখে।। তাই এই সমস্যা টি কি কি ক্ষতি হতে পারে এবং এটা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি।। যারা জানেন তারাই উত্তর দিবেন প্লিজ..!! এটা সুরু থেকেই এমন
2602 views

1 Answers

আপনার আগে থেকেই মাসিক অনিয়মিত ভাবে হয় নাকি হঠাৎ এ মাসে অনিয়ম করে মাসিক হলো আপনি তা বলেন নি। তবে মাসিক অনিয়মিত ভাবে হওয়ার  বেশ কিছু কারন থাকে,যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল খাওয়া,শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণ। শরীরের রক্ত কমে গেলে অর্থাৎ এনিমিয়া হলে অনিয়মিত মাসিক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে গেলে এই সমস্যা হয়।  যোনিতে  বিভিন্ন জটিলতার ইনফেকশন এর কারণে হতে পারে। জননাঙ্গের যক্ষা, গণোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণে মাসিক অনিয়মিত  হতে পারে 

অনিয়মিত মাসিক হলে যে সমস্যা গুলো হয় → শরীর দুর্বল লাগে, রক্তশুন্যতা দেখা দেয়,গাল,চোখ,মুখ শরীর শুকিয়ে যায়। তলপেটে প্রচুর ব্যথা হয়তে পারে, পরবর্তীতে বাচ্চা জন্মদিতে ব্যর্থ হতে পারে, তাই ভালো হবে মাসিক নিয়মিত ভাবে করুন যার জন্য গাইনি ডাক্তারের চিকিৎসা নেওয়া জরুরী  তবে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি আপনি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন এবং নিজেকে ঠান্ডা রাখুন। শারীরিক এবং মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। নিয়মিত শরীর চর্চা, সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন এবং ক্যাফেইন জাতীয় খাবার পরিহার করুন। ওজন বেশি থাকলে ওজনও কমাতে হবে। নিয়মিত কাঁচা পেপে খেলে অনিয়মিত মাসিকের জন্য অনেক উপকারী। তবে যারা গর্ভবতী তাদের কাঁচা পেপে না খাওয়াই ভাল, এতে গর্ভপাত হতে পারে। । মাসিকের সময় প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও আয়রনের চাহিদা তৈরি করে। পিরিয়ড এক বা দুই সপ্তাহ আগে হলে গাজর, কলা, আপেল, পেয়ারা, শসা খাবেন এবং এই সমস্যা দূর করার জন্যই অল্প অল্প বারে বারে খাবার খান।  

2602 views

Related Questions