1 Answers
এটি প্রোস্টেট গ্লান্ডের যেকোনো সমস্যা যেমন প্রোস্টেট গ্লান্ড বৃদ্ধি, প্রোস্টেট গ্লান্ডে ইনফেকশন ইত্যাদির চিকিৎসায় আক্রান্ত রোগের জীবাণু ধ্বংস করতে অর্থাৎ উক্ত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।এটির কিছু সাইড ইফেক্ট আছে,যেমন:
-
মাথাঘোরা
-
বমি ভাব কিংবা বমি হওয়া
-
শরীরে র্যাশ হওয়া
-
চামড়ার প্রদাহ
-
নিদ্রাভাব হওয়া
-
বদহজম হওয়া
-
জ্বর হওয়া
-
শারীরিক দুর্বলতা
2589 views
Answered