যেমনঃ খারাপ ব্যবহার করা  মা বাবা সাথে জগড়া  করা হস্তমৈথুন করা ছোটু খাটো পাপ করা তার পরে আমি বিপদে পড়ি এবং আমার সাথে দুঘটনা হয় তখন  আমি মাফ চাই আল্লাহ কাছে তখন ভাল হয় আবার  ভুলে যায় পাপ করি তখন দুঘটনা হয় আমি কিভাবে এই থেকে মুক্তি পাবো           
2804 views

2 Answers

আপনি জেনে শুনে খারাপ কাজ গুলো করছেন। আবার আল্লাহর কাছে মাফ চাচ্ছেন, এটা অতি লজ্জাজনক। আমি আপনাকে অনুরোধ করবো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে। কারণ সালাত মানুষকে সকল প্রকার খারাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে।

2804 views

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমি তো মানুষকে তার মা- বাবার সঙ্গে ভালো আচরণের নির্দেশ দিয়েছি। জননী সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুবছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মা-বাবর প্রতি কৃতজ্ঞ হও। প্রত্যাবর্তন তো আমারই নিকট। (সুরা লুকমানঃ ১৪) আল্লাহ তায়ালা বলেন, আর আপনার রব আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদাত না করতে ও পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে। তারা একজন বা উভয়ই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে 'উফ' বল না এবং তাদেরকে ধমক দিও না; তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বল। তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বল, হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া কর যেমনভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন পালন করেছেন। (সুরা বনি ইসরাইলঃ ২৩/২৪) আপনি মা বাবার সাথে ঝগড়া বা খারাপ ব্যবহার করে বড্ড পাপ করেছেন। আবার গুপ্ত অভ্যাস হাত বা অন্য কিছুর মাধ্যমে বীর্যপাত, স্বমৈথুন বা হস্ত মৈথুন করা কিতাব, সুন্নাহ ও সুস্থ বিবেকের নির্দেশ মতে হারাম। আপনি হস্তমৈথুন করে সীমালঙ্ঘঙ্কারী বলে বিবেচিত হয়েছেন। এটাতেও বড় গুনাহে লিপ্ত হয়েছেন। উপরিউক্ত গুনাহের জন্য উলামা সম্প্রদায়ের উক্তি এই যে, প্রত্যেক পাপ থেকে তওবা করা ওয়াজিব তথা অবশ্য-কর্তব্য। তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে। ১। পাপ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে। ২। পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে। ৩। ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করতে হবে। সুতরাং যদি এর মধ্যে একটি শর্তও লুপ্ত হয়, তাহলে সেই তওবা বিশুদ্ধ হবে না। তওবা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে প্রচুর প্রমাণ রয়েছে এবং এ ব্যাপারে উম্মতের ঐকমত্যও বিদ্যমান। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা নূরঃ ৩১ আয়াত) অর্থাৎ তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট (পাপের জন্য) ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর। (সূরা হূদঃ ৩) তিনি আরো বলেছেন, অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা। (সূরা তাহরীমঃ ৮) জনাব! তওবার মধ্যে অটল না থাকতে পারলে খাস দিলে পুনরায় তাওবা করতে হয়। তাই আপনি তওবা ইস্তেগফার করুন! আর এটাই হচ্ছে মুক্তির পথ।

2804 views

Related Questions