অনুধাবন আকারে বিস্তারিত জানতে চাই ।
3252 views

2 Answers

বিজ্ঞানী জর্জ বীডলও এডওয়ার্ড এল ট্যাটাম Neurospora crassa নামক ছত্রাক নিয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর বলেন যে, নির্দিষ্ট জিন নির্দিষ্ট এনজাইম তৈরির জন্য দায়ী। এর মাধ্যমেই গ্যারুল(১৯০৮) সর্বপ্রথম এক জিন এক এনজাই মমতবাদ চালু করেন। এর আগেই জানা ছিল এনজাইম মানেই প্রোটিন, তাই পরবর্তীতে উক্ত মতবাদ পরিমার্জন করে বলা হয়, এক জিন এক পলিপেপটাইড চেইন। অর্থাৎ এনজাইম ও প্রোটিন অণু জিন কর্তৃক সৃষ্ট।  সিকল সেল হিমোগ্লোবিন (৬০০ অ্যামিনো এসিড নিয়ে গঠিত) নিয়ে কাজ করে ভারনন ইনগ্রাম(১৯৫৯) দেখান যে, এই প্রোটিনে ৬০০ অ্যামিনো এসিড একটি নির্দিষ্ট সাজে সজ্জিত। এ থেকেই প্রমাণিত হয় যে অ্যামিনো এসিডের ভিন্ন ভিন্ন সাজ পদ্ধতির জন্যই বহু বৈচিত্র্যময় এনজাইম তৈরি হয় এবং এক একটি এনজাইম এক একটি সুনির্দিষ্ট জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য দায়ী। তাই প্রোটিনকে বলা হলো জীবনের ভাষা।

3252 views

প্রোটিন হলো অ্যামাইনো এসিডের পলিমার।প্রোটিন দেহকোষের পুনরজ্জীবনে সহায়তা করে।দেহের পেশিকোষ প্রোটিন দিয়ে তৈরি।বলতে গেলে সমস্ত শরীরের সব অঙ্গই প্রোটিন দিয়ে তৈরি।তাছাড়া হরমোন এনজাইম সব আসলে একটা প্রোটিন।প্রোটিন দিয়ে এসব তৈরি হয়।তাই প্রোটিনকে জীবনের ভাষ বলা হয়

3252 views

Related Questions