6 Answers
আল্লাহর হুকুম পালন করলে, বেশী বেশী নেক কাজ করলে। পাপ কাজ থেকে বিরত থাকলে। নিয়মিত পাচঁ ওয়াক্ত নামায পড়লে। কারন নামাজ জান্নাতের চাবি। এছাড়া আল্লাহর অন্যান্য ইবাদত পালন করলে। আর কুরআন ও হাদিস মত জীবন যাপন করলে। নবীজির সুন্নত পালন করলে। দুনিয়াতে সৎ ভাবে জীবন যাপন করলে। এগুলো সঠিকভাবে করলে আল্লাহ নিশ্চই দয়া করে, রহমত করে জান্নাতে নিবেন। আল্লাহর রহমত ছাড়া কেউই জান্নাতে যেতে পারবে না।
@জান্নাতে প্রবেশের প্রথম উপায় হলো: শাহাদাত অর্থাৎ একথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া আর সত্য কোন ইলাহ নেই, যিনি একক, যার কোন শরীক নেই। আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সুতরাং যে ব্যক্তি ইসলামের এ সাক্ষ্য প্রদান করবে, এর যাবতীয় আরকান পালন করবে, আর এক অদ্বিতীয় আল্লাহর ইবাদাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। @আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নামসমূহ মুখস্থ করা এবং এ নামগুলো সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা জান্নাতে প্রবেশের একটি উপায়। আবু হুরায়রা রাদি আল্লাহ আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: ‘‘আল্লাহর নিরানববইটি নাম আছে। যে ব্যক্তি এ নামগুলো গণনা করবে, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে’’। [বুখারী ও মুসলিম] @আল কুরআনের অনুসারীগণ, যারা আল্লাহর আহল ও তাঁর খাস বান্দা, কুরআন তাদের জান্নাতে প্রবেশের উপায় হবে। আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ‘‘আলকুরআনের সঙ্গীকে বলা হবে: কুরআন পাঠ কর, আর মর্যাদার উচ্চশিখরে আরোহণ কর। আর তেলাওয়াত করতে থাক। যেমন দুনিয়াতে তেলাওয়াত করছিলে; কেননা তোমার মর্যাদা হলো কুরআনের শেষ আয়াত পর্যন্ত যা তুমি পাঠ করবে’’। [তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবনে মাযাহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন] @যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথকে সহজ করে দেন। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ‘‘যে ব্যক্তি ইলম হাসিলের উদ্দেশ্যে রাস্তায় বের হয়, এর বিনিময়ে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সুগম করে দেন’’। [মুসলিম] @আল্লাহর নিকট জান্নাত চেয়ে দো‘আ করলে জান্নাত তখন আমীন আমীন বলে সমর্থন করে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যাক্তি ৩ বার আল্লাহর নিকট জান্নাত চায়, জান্নাত তখন বলে: হে আল্লাহ্! ঐ ব্যাক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি ৩ বার জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চেয়ে দো‘আ করে, জাহান্নাম বলে: হে আল্লাহ্ ঐ ব্যক্তিকে দোযখের আগুন থেকে মুক্তি দাও। [তিরমিযি, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন]। @আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাগফেরাত কামনার দো‘আকে সাইয়্যেদুল্ ইসস্তিগফার বা গুনাহ মাফ চাওয়ার প্রধান দো‘আ বলে অভিহিত করেছেন এবং জান্নাতে প্রবেশের কারণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। সুতরাং প্রিয় পাঠক! দো‘আটি মুখস্থ করুন এবং সকাল সন্ধ্যা পাঠ করুন। collected
জান্নাত শুধুমাত্র মুত্তাকিদের জন্য বিদ্যমান৷ আর মুত্তাকি তাদেরকেই বলে, যারা আল্লাহকে ভয় করে জীবন পরিচালনা করে থাকেন। এ ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেনঃ তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে ও সেই জান্নাতের দিকে, যার বিস্তৃতি হচ্ছে আসমানসমূহ ও যমীনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য তৈরী করা হয়েছে।” (সূরা আল ইমরান, আয়াত নং ১৩৩)
এছাড়া, জান্নাতে প্রবেশের প্রথম উপায় হলোঃ শাহাদাত অর্থাৎ একথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া আর সত্য কোন ইলাহ নেই, যিনি একক, যার কোন শরীক নেই। আর মুহাম্মাদ (সঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সুতরাং, যে ব্যক্তি ইসলামের ওপর অটল থেকে এ সাক্ষ্য প্রদান করবে এবং এর যাবতীয় আরকান পালন করবে, আর এক অদ্বিতীয় আল্লাহর ইবাদাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বুখারী ও মুসলিম)
এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেনঃ “নিশ্চয় যারা বলে, 'আমাদের রব আল্লাহ' অতঃপর এর ওপর অবিচল থাকে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না। আর তারাই জান্নাতের অধিবাসী, তাতে তারা স্থায়ীভাবে থাকবে, তারা যা আমল করত তার পুরস্কারস্বরূপ।” (সুরা আহক্বাফ, আয়াত নং ১৩-১৪)
জনাব! এককথায়, জান্নাতে যেতে হলে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করতে হবে। আর তন্মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলোঃ নামাজ কায়েম করা, রমজান মাসে রোজা রাখা, যাকাত দেয়া, সামর্থ্য থাকলে হজ্জ্ব করা - ইত্যাদি।
জান্নাত পেতে হলে সকল কাজে প্রতিটি সময়ে আল্লাহর হুকুম মানতে হবে।প্রতিটি কাজে প্রতিটি সময়ে রাসূল সঃ এর সুন্নতের অনুসরন করতে হবে।নেক আমল করতে হবে,গুনাহ্ থেকে বাচতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সঠিকভাবে আদায় করতে হবে,রমজানের ৩০টি রোজাসহ অন্যান্ন রোজাগুলো পালন করতে হবে,পর্দা পালন করতে হবে,অর্থাৎ বেগানা যুবতি মহিলা মেয়েদের দিকে তাকানো যাবে না,দৃষ্টি নত রাখতে হবে।হজ্ব ফরজ হলে হজ্ব পালন করতে হবে।জাকাত ফরজ হলে জাকাত আদায় করতে হবে।প্রতিদিন কুরআন তেলোয়াত করতে হবে।সর্বদা সত্য কথা বলতে হবে,মিথ্যা বলা পরিহার করতে হবে।বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করবেন,রাসূলে আকরাম সঃ এর উপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করবেন।পিতামাতার খেদমত করতে হবে,তাদের সাথে উত্তম ব্যবহার করতে হবে।আল্লাহ তায়ালাই নির্দেশ দিয়েছেন পবিত্র কুরআনে,,মাতা পিতার সাথে উত্তম আচরন করতে।তাই,মাতা পিতার অবাধ্য সন্তান জান্নাতে যেতে পারবে না।যদি মাতাপিতা ইসলাম বিরোধী কিছু করতে বলে তা করা যাবে না,তারপরও তাদের সাথে ভালো আচরন করতে হবে।আলেমদের সাথে বেয়াদবি করা যাবে না।বেশি বেশি দান সদকা করতে হবে।আর একটা কথা নামাজ ছাডা জান্নাতে যাওয়া যাবে না,কেননা নামাজ জান্নাতের চাবিকাঠি।তাই,দয়া করে নামাজ পডবেন।
ভাই আপনাকে ইসলামের ৫টি ভিত্তি মোতাবেক চলতে হবে।তাছারা আকাইদ আখলাক রিছালত ইত্যাদি বিষয়ের উপর আমল করতে হবে।।।।।।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবাদতের জন্য।আর দোজাহানের বাদশা, মহামানব, নবী ও রাসূলদের সরদার,আমাদের প্রিয় নবী হযরত মূহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্ সঃ আমাদের জন্য আদর্শ।সুতরাং আল্লাহ্ ও আল্লাহর রাসূল সঃ এর আনুগত্য করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে।সুতরাং,, ইসলামী ঙান শিক্ষা করা আমাদের একান্ত কর্তব্য।কেননা আমরা যদি কিছু না জানি ইসলামী আইন কানুন তাহলে মানবো কী? পৃথিবীতে রেখে যাওয়া নবী সঃ এর লক্ষ লক্ষ হাদীস,কয়টা হাদীস আমরা জানি।হাদীসে আছে,পায়ের টাখনুর নিচে কাপড পরিধানকারী ব্যাক্তির সাথে,দান করে খোটা দানকারী ব্যাক্তির সাথে আল্লাহ্ তায়ালা কেয়ামতের দিন কথা বলবেন না,তাদের দিকে তাকাবেনও না।।।এগুলোতো জানতে হবে,মানতেও হবে।তবেইতো জান্নাত।জান্নাতে যেতে হলে সব সময় সকল কাজে ধৈর্য ধারন করতে হবে আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে।তাই বলে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না।ইসলামে এরকম কোন নিয়ম নেই।পর্দা করতে হবে,সুদ খাওয়া যাবে না,সুদের খাতায় নাম লেখাইয়া যদি কেয়ামত পর্যন্ত ইবাদত করো কবুল হবে না।ঘুস দেওয়া যাবে না ,নেওয়া যাবে না।মিথ্যা বলা কবিরা গুনাহ্।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy