3 Answers
আপনি বেশি বেশি কুরআন পাঠ করুন অর্থ সহ । সুরা ফাতিহা পাঠ করুন। নিয়মিত নামায আদায় করুন। বেশি বেশি সুষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন। এবং ভালো বক্তাদের ওয়াজ শুনুন যেমন মিযানুর রহমান আযহারি ইত্যাদি। আর আপনার মতে কোনো প্রশ্ন থাকলে ভালো কোনো আলেমের কাছে জিজ্ঞেস করুন বা আমাদের বিস্ময়ে প্রশ্ন করুন । আশাকরি ইনশাল্লাহ আপনার সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
আপনার মনে আজেবাজে কুফরি প্রশ্ন পরিলক্ষিত হলে নিম্নোক্ত ধাপগুলি অনুসরণ করুন। আশা করি, একটু হলেও শয়তানের এই খারাপ কুমন্ত্রণা হতে রক্ষা পাবেন।
-
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে মাথায় রেখে ২৪ ঘণ্টার একটি রুটিন তৈরি করুন। প্রতিদিনকার রুটিন এমনভাবে সাজাবেন, যাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে জামায়াতের আদায় করা যায়। আর, এই নামাজই আমাদের অশ্লীল ও খারাপ চিন্তা/কাজ হতে বিরত রাখে।
-
বেশি বেশি করে নফল রোজা রাখার চেষ্টা করুন। যেমন ধরুনঃ প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার। প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখের রোজা, আশুরার দুই রোজা ইত্যাদি। এরকম নফল রোজা যত আছে সেগুলো রাখার চেষ্টা করুন। আর, এ সকল নফল রোজাগুলো আপনার মনকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে অনেক সহায়ক হবে।
-
এখন তো সকল কিছুই মোবাইল ফোনের মধ্যে চলে এসেছে। তাই মোবাইল ফোনের মধ্যে কোরআন শরীফ, হাদীস শরীফ , বিভিন্ন ইসলামী ই-বুক, ইসলামী লেকচার ইত্যাদি ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। যখনই ফ্রি থাকবেন তখনই গেমস না খেলে এগুলো শুনতে বা পড়তে পারেন।
-
আপনার মন কিন্তু কাজ ছাড়া থাকে না। তাকে আপনি কাজ না দিলে শয়তান তাকে আজে-বাজে কথা/কাজ দিয়ে ব্যস্ত রাখবে। আপনি হয়তো চুপচাপ বসে আছেন বা ভ্রমনে আছেন, আপনার মন কিন্তু অজস্র আজে বাজে চিন্তায় ব্যস্ত রয়েছে। তাই যেকোন অবস্থাতেই থাকুন না কেন লক্ষ্য রাখুনঃ মন যেন কোন বাজে চিন্তার সুযোগ না পায়।
-
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ "নিশ্চয় রাত-জাগরণ আত্মসংযমের জন্য অধিকতর প্রবল এবং স্পষ্ট বলার জন্য অধিকতর উপযোগী।" (সূরা মুয্যাম্মিল, আয়াত নং ০৬)
আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে এই দোয়াটি পডবেন,,, আয়ুজু বিল্লাহিছ ছামিইল আলিমি মিনাস শাইতনির রজীম,, তারপরে সূরা কেরাত পডে দরুদ শরীফ পঠ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন । ।আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে তাকবিরে উলার সাথে আদায় করবেন,,বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করবেন,পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে ৩৩বার সুবহানাল্লহ্ ৩৩বার আলহামদু লিল্লাহ্ ও ৩৪বার আল্লাহু আকবার পডবেন,একবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্ (সঃ) পডবেন।আপনি প্রত্যাহ সকালে অন্তত একবার সূরা ইয়াসিন পাঠ করবেন,এতে অনেক ফজিলত রয়েছে,আর প্রত্যাহ সকালে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবেন।এর দ্বারা শয়তান দূরে পালায়।আপনি এই আমলগুলো করলে আপনার মনে কুফরী প্রশ্ন জাগ্রত হবে না ইনশা আল্লাহ্।আল্লাহ তায়ালা বলেন,, নিশ্চয়ই নামাজ যাবতীয় অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে (আল কুরআন)।তাই শয়তানের প্রচারনা থেকে বাচার জন্য সঠিকভাবে নামাজ আদায় করবেন।