এক ওয়াজে শুনলাম আঃরাজ্জাক বিন ইউসুফের?
2 Answers
একজন নারীর রূপমাধুরী ও সৌন্দর্যলাবণ্য তার গর্ব। তার এ রূপ-যৌবন সৃষ্টি হয়েছে কেবল তার স্বামীর জন্য। স্বামীকে সে রূপ উপহার না দিতে পারলে কোন মূল্যই থাকে না। এই রূপ-যৌবন স্বামীকে উপহার দিয়ে কত যে আনন্দ, সে তো নারীরাই জানে। সুন্দর অঙ্গের উপর অঙ্গরাগ দিয়ে আরো মনোহারী ও লোভনীয় করে স্বামীকে উপহার দিয়ে উভয়েই পরমানন্দ ও প্রকৃত দাম্পত্য-সুখ লুটতে পারে পার্থিব সংসারে। সুতরাং অঙ্গ যার জন্য নিবেদিত, অঙ্গরাগও তার জন্যই নির্দিষ্ট। স্বামী ব্যতীত অন্য কারো জন্য অঙ্গসজ্জা করা ও তা প্রদর্শন করা একেবারেই বৈধ নয়।
নারী বাহিরে গমন করতে পারবে। তবে, লেবাস (পোশাক) যেন দেহের সর্বাঙ্গকে ঢেকে রাখে। দেহের কোন অঙ্গ বা সৌন্দর্য যেন কোন বেগানা (যার সাথে বিবাহ বৈধ) পুরুষের সামনে প্রকাশ না পায়। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, "আর মহিলা যদি (কোন প্রকার সৌন্দর্য্য প্রকাশের জন্য) সুগন্ধ ব্যবহার করে কোন (পুরুষদের) মজলিসের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে তবে সে যিনাকারীণী।" (নাসা’ঈ, হাদীস নং ৫১২৬) (তিরমিযী, হাদীস নং ২৭৮৬)।
নারীর সৌন্দর্য্য রক্ষার্থে মহান আল্লাহ তায়ালা পর্দার আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেনঃ আর মুমিন নারীদেরকে বল, যেন তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না।..... তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে, অধীনস্থ যৌনকামনামুক্ত পুরুষ অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া কারো কাছে নিজদের সৌন্দর্য্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন নিজদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে।....." (সুরা আন-নূর, আয়াত নং ৩১)
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ মুমিন নারীদেরকে বলুন! তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর. পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভাগিনা, স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্ত দাসী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত অন্য কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। (সূরা আন-নূরঃ ৩১) মহিলারা আয়াতে বর্ণিত সকল লোক ব্যতীত অন্যদের সামনে সুসজ্জিতাবস্থায় যতবারই আসুক ততবারই তাদের গুণাহ হবে। হযরত আবু মূসা আল আশয়ারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি চোখই যিনাকরী। কোন নারী সুগন্ধি মেখে কোন মজলিসের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে সে এমন এমন অর্থাৎ যিনাকারিণী। (আবু দাউদঃ ৪১৭৩, মুসনাদে আহমাদঃ ৪০০, তিরমিযীঃ ২৭৮৬ হাদীসটি হাসান সহীহ)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy