1 Answers

আপনি একটি যুগান্তকারী প্রশ্ন করেছেন। মহান আল্লাহ আপনাকে কৃতজ্ঞ বান্দা হিসেবে কবুল করুন। আমীন। আপনার প্রশ্নের  উত্তরটি নিম্নে প্রদান করা হলো-

শোকর হচ্ছে অনুগ্রহকারীর প্রশংসা করা। কোন মুসলিম আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া জ্ঞাপনকারী হতে পারে না যতক্ষণ না সে তার অন্তর, যবান ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে তার রবের কৃতজ্ঞতা আদায় করে। ফলে তার হৃদয়ের গভীরে এই বিশ্বাস পোষণ করে যে তার নিকট প্রতিটি নেয়ামত আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ ও ইহসান। ফলে আল্লাহর হামদ ও কৃতজ্ঞতাসহ তার যবানেও সে নেয়ামতের আলোচনা হয়। আল্লাহ্ তাআলা যেমন বলেছেন, ‘‘আর আপন রবের দান সমূহের আলোচনা করতে থাকুন’’-সূরা দুহা, আয়াত : ১১

নেয়ামতের প্রকৃত শুকরিয়া আদায় হয় নেয়ামতদাতার সন্তুষ্টি মোতাবেক সেটা ব্যবহারের দ্বারা। কিন্তু যে আল্লাহর নাফরমানিতে তার নেয়ামতকে ব্যবহার করে সে আসলে নেয়ামতের না-শোকরী করে। ফলে সে নিজেকে নেয়ামতদাতার শাস্তির মখোমুখি করে। শোকর আদায় শুধু মুখে প্রশংসার নাম নয় বরং কাজে-কর্মে  এবং ভাবেও সেটার প্রকাশ ঘটবে। আল্লাহ্ আআলা ইরশাদ করেন, ‘‘হে দাউদের বংশধরগণ! তোমরা সকলে শোকরানা স্বরূপ নেক কাজ কর; বস্ত্তত আমার বান্দাগণের মধ্যে শোকরগুযার লোক কমই হয়ে থাকে’’-সূরা সাবা, আয়াত : ১৩

উক্ত আলোচনা দ্বারা বোঝে আসে মহান প্রভুর কৃতজ্ঞতা আদায়েল মাধ্যম তিনটি: অন্তর, মুখ ও অঙ্গ-পতঙ্গ দ্বারা তার বহির প্রকাশ। এবং প্রথমটি কৃতজ্ঞতার নিম্ন স্তর, দ্বিতীয়টি মধ্যম স্তর এবং সর্বশেষটি সর্বোচ্চ স্তর। ধন্যবাদ।

2878 views

Related Questions