2 Answers
সুন্দর ডেইলি রুটিন বানানোর ক্ষেত্রে অনেক বিষয়ের দিকে নজর দিতে হয়। প্রসংগত চলে আসে কি পেশা আপনার? ছাত্র, শিক্ষক, কিংবা চাকুরী অথবা ব্যবসায়ী? কিভাবে আপনি সফল ব্যবসায়ী হবেন? কিভাবে আপনি সফল চাকুরীজীবি হবেন? কিংবা কিভাবে আপনি নিজ নিজ পেশায় সফল হবেন? এর সব কিছুই নির্ভর করছে আপনার কাজের উপর। কাজের একটি তালিকা তৈরি করুন – যত কাজ আছে তার সব মিলিয়ে একটি তালিকা করা দরকার। ধরুন আপনি যে কাজ করেন তার সব মিলিয়ে তিনটি তালিকা হতে পারে। এক-ব্যক্তিগত, দুই-ফ্যামিলি রিলেটেড , তিন-অফিস রিলেটেড। ছাত্র ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এটা এমন হয় ব্যক্তিগত, ফ্যামিলি রিলেটেড, স্কুল/কলেজ/ইউনিভার্সিটি রিলেটেড। সব মিলিয়ে একটি তালিকা করাই ভাল, তবে উপতালিকা করে তিনটি ভাগে ভাগ করে রাখতে হবে। কাজের জন্য সময় বের করা-সময় নিয়ন্ত্রন- মানুষের জীবনের সবচে’ বড় যুদ্ধ হচ্ছে সময়ের সাথে যুদ্ধ। পেরে উঠেনি কেউই। এজন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পর সবাইকেই পৃথিবীর সব কাজ রেখে চলে যেতে হয় পরপারে। তাই বলে কি সময়ের সাথে এই নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি ব্যাবহার থেকে বিরত থাকবেন? না, সময় নিয়ন্ত্রন করেই সফল হতে হয়। প্রত্যেক কাজের জন্য আলাদা করে সময় নির্ধারন করুন। মনে রাখবেন প্রথম প্রথম আপনার সময় কম বেশি হতে পারে। কোন কাজ সময়ের আগেই শেষ হয়ে যেতে পারে কোন কাজে বেশি সময় লাগতে পারে। সুন্দর ডেইলি রুটিনের সুবিধাই হচ্ছে জীবনকে কিছু বাড়তি সময় উপহার দেয়া। দেখবেন আপনার বাড়তি সময় কিভাবে বেরিয়ে আসে। এলার্ম টুলস ব্যবহার করুন – আপনি নিজেই ভুলে যেতে পারেন কোন সময়ে আপনার কি কাজ পড়ে আছে। কাজের তালিকা সব সময় সাথে থাকে না। তাই স্মার্ট ফোনের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। অথবা এলার্ম ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। যদি আউটলুক ব্যবহার করেন তবে সেখানেও ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এছাড়াও অনেক নতুন লিষ্ট সফটওয়্যার পাওয়া যায় যা দিয়ে সময়ের সাথে সাথে নটিফিকেশন পাওয়া যায়। এগুলো টুলস আপনাকে দিতে পারে অনেক রকমের সুবিধা। রুটিনের প্রত্যেক ইভেন্ট এই এলার্মের আওতায় থাকবে। গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করেও আপনি অনেক বেশি অর্গানাইজড থাকতে পারেন। এই বিষয়ে আরো জানতে পড়ুন-
সুন্দর একটি দৈনিক রুটিন চাচ্ছেন ভালো কথা। আসলে দৈনিক রুটিন টা আমাদের সবার জন্য প্রয়োজন তো এ রুটিনটা আমি কোন কাজের ভিত্তি করে দিচ্ছি না এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে সেই ভিত্তিতে দিচ্ছি- সকালে ঘুম থেকে উঠবেন। সামান্য নাস্তা করবেন। নাস্তার আগে অবশ্য একটু ব্যায়াম করলে ভালো হবে। অবশ্যই ব্রাশ টা তো অবশ্যই করে নেবে ন। সকাল 8 টায় স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডী হলেন কিংবা 9 টায়। এরপরে আপনি একটু স্কুলে যাওয়ার পথে অবশ্য একটু হাঁটাহাঁটি করে যাবেন। এতে শরীর ভালো থাকবে। স্কুলের সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন যাতে করে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং যে ব্যায়ামগুলো করানো হয় তা আপনার উপকারে আসবে। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরবেন ফেরার পরে। একটু খেলাধুলা করলেন খেলাধুলা করার পরে হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বসবেন। এবং রাতে কিছুক্ষণ পড়ে একটু ভাত খেয়ে আবার পড়তে বসবেন। আপনার পড়া পড়ে তারপরে আবার একটু পরে ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন। অবশ্যই ঘুম 8 ঘন্টা কিংবা ৭ ঘণ্টা হওয়া চাই।