2 Answers
রাসূল সা.এর উপর ওহী অবতীর্ণ হওয়ার পর কত দিন যাবত ওহী বন্ধ ছিল তা নিয়ে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরামের মাঝে মতৈক্য আছে।
কেউ বলেছেন, তিন বছর।
কেউ বলেছেন, আড়াই বছর।
কেউ বলেছেন, চল্লিশ দিন।
কেউ বলেছেন,পনের দিন।
কেউ বলেছেন, তিন দিন। তবে আল্লামা মোবারকপুরী রহ. তিন বছরের সময়কালকে অগ্রধিকার দিয়েছেন।
সূত্র: আল-মাওয়াহিবুল লাদুনিয়্যা ১/২১২, তুহফাতুল আহওয়াযি ১০/৯৪, উমদাতুল কারী ১/১৬৪, ফাতহুল বারী ইবনু হাজার রহ.কৃত ১/২৭
4079 views
Answered
সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কিছুদিন ওহী আসা বন্ধ থাকার পর সূরা মুদ্দাসসির অবতীর্ণ হয়েছে। তবে এই সময়টুকু কতদিন তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হবেনা। কেননা এই বিষয়ে মতানৈক্য রয়েছে।
কতদিন যাবত ওহী বন্ধ ছিল সেই
ব্যাপারে ইতিহাসবিদগণ
কয়েকটি মতামত প্রকাশ করেছেন। সেগুলোর মধ্যে সঠিক মত হলো
ওহী বন্ধ ছিলো মাত্র কয়েকদিন।
সর্বপ্রথম যে অহী নাযিল হয় তা হলো সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত। এরপর ওহী আসা কিছু দিন বন্ধ থাকে। ফলে রাসুল (সাঃ) খুবই অস্থির ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। এক দিন আবারো তিনি প্রথমবার হিরা গুহায় ওহী নিয়ে আগমনকারী ফিরিশতাকে আসমান ও যমীনের মধ্যস্থলে একটি কুরসীর উপর বসা অবস্থায় দেখেন। এ থেকে রাসূল (সাঃ)-এর মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়। তাই তিনি ঘরে গিয়ে ঘরের লোকদেরকে বললেন, আমাকে কোন কাপড় দিয়ে ঢেকে দাও বা আমাকে কোন চাদর দিয়ে ঢেকে দাও। ফলে তারা রাসূল (সাঃ)-এর শরীরে একটি কাপড় চাপিয়ে দিলেন। ঠিক এই অবস্থাতেই এই অহী অবতীর্ণ হয়। (বুখারী ও মুসলিম, সূরা মুদ্দাসসির)
হাদীসে আরো এসেছে, সর্ব প্রথম হেরা গিরি গুহায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ফেরেশতা জিবরাইল (আঃ) আগমন করে ইকরা সূরার প্রাথমিক আয়াত সমূহ পাঠ করে শোনান। ফেরেশতার এই অবতরণ ও ওহীর তীব্ৰতা প্ৰথম পর্যায়ে ছিল। ফলে এর স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাদিজা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার নিকট গমন করলেন এবং তার কাছে বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করলেন। এরপর বেশ কিছুদিন পর্যন্ত ওহীর আগমন বন্ধ থাকে। বিরতির এই সময়কালকে “ফাতরাতুল ওহী” বলা হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীসে এই সময়কালের উল্লেখ করে বলেন, একদিন আমি পথ চলা অবস্থায় হঠাৎ একটি আওয়াজ শুনে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি, হেরা গিরিগুহার সেই ফেরেশতা আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানে এক জায়গায় একটি ঝুলন্ত চেয়ারে উপবিষ্ট রয়েছেন। তাকে এই আকৃতিতে দেখে আমি প্রথম সাক্ষাতের ন্যায় আবার ভীত ও আতংকিত হয়ে পড়লাম। আমি গৃহে ফিরে এলাম এবং গৃহের লোকজনকে বললাম, আমাকে বস্ত্ৰাবৃত করে দাও। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আলোচ্য আয়াত নাযিল হল। (বুখারীঃ ৪, মুসলিমঃ ১৬১, তিরমিজিঃ ৩৩২৫)
সর্বপ্রথম যে অহী নাযিল হয় তা হলো সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত। এরপর ওহী আসা কিছু দিন বন্ধ থাকে। ফলে রাসুল (সাঃ) খুবই অস্থির ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। এক দিন আবারো তিনি প্রথমবার হিরা গুহায় ওহী নিয়ে আগমনকারী ফিরিশতাকে আসমান ও যমীনের মধ্যস্থলে একটি কুরসীর উপর বসা অবস্থায় দেখেন। এ থেকে রাসূল (সাঃ)-এর মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়। তাই তিনি ঘরে গিয়ে ঘরের লোকদেরকে বললেন, আমাকে কোন কাপড় দিয়ে ঢেকে দাও বা আমাকে কোন চাদর দিয়ে ঢেকে দাও। ফলে তারা রাসূল (সাঃ)-এর শরীরে একটি কাপড় চাপিয়ে দিলেন। ঠিক এই অবস্থাতেই এই অহী অবতীর্ণ হয়। (বুখারী ও মুসলিম, সূরা মুদ্দাসসির)
হাদীসে আরো এসেছে, সর্ব প্রথম হেরা গিরি গুহায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ফেরেশতা জিবরাইল (আঃ) আগমন করে ইকরা সূরার প্রাথমিক আয়াত সমূহ পাঠ করে শোনান। ফেরেশতার এই অবতরণ ও ওহীর তীব্ৰতা প্ৰথম পর্যায়ে ছিল। ফলে এর স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাদিজা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার নিকট গমন করলেন এবং তার কাছে বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করলেন। এরপর বেশ কিছুদিন পর্যন্ত ওহীর আগমন বন্ধ থাকে। বিরতির এই সময়কালকে “ফাতরাতুল ওহী” বলা হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীসে এই সময়কালের উল্লেখ করে বলেন, একদিন আমি পথ চলা অবস্থায় হঠাৎ একটি আওয়াজ শুনে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি, হেরা গিরিগুহার সেই ফেরেশতা আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানে এক জায়গায় একটি ঝুলন্ত চেয়ারে উপবিষ্ট রয়েছেন। তাকে এই আকৃতিতে দেখে আমি প্রথম সাক্ষাতের ন্যায় আবার ভীত ও আতংকিত হয়ে পড়লাম। আমি গৃহে ফিরে এলাম এবং গৃহের লোকজনকে বললাম, আমাকে বস্ত্ৰাবৃত করে দাও। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আলোচ্য আয়াত নাযিল হল। (বুখারীঃ ৪, মুসলিমঃ ১৬১, তিরমিজিঃ ৩৩২৫)
4079 views
Answered