কুরআনের আলোকে সমাধান চাই?
2 Answers
ভাই আপনি এখন খুব বিপদে ? তাই না ! ভাই আপনাকে একটা কথা বলি আপনি যতই বিপদে পড়েন তবুও আল্লাহকে ভুলে যাবেন না। ইবাদত বান্দেগি ছাড়বেন না । কারন ওটা হলো প্রথমিক জিনিস আর ইবাদত বান্দেগি হলো বাদ্ধতামূলক জিনিস। এটা সবাইকে করতেই হবে এর থেকে কারও মাফ নাই। সুতরাং দুটোই ভিন্ন ভিন্ন । আপনাকে এটাই বলার যে, আপনি ইবাদত করেন এবং আল্লাহর কাছে বেশি বেশি করে সাহায্য চান এবং ধৈর্যধারন করেন । সুরা আল-বাক্বারা আয়াত নাম্বার 153 তে বলেছেন যে, হে ঈমানদারগন তোমরা নামায আদায় করো, ধৈর্যধারন করো এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও। সুতরাং আপনি তাই করেন। হতে পার আল্লাহ অপনাকে এর পরবর্তিতে পুরস্কৃত করবেন।
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। -সূরা যুমার, ৫৩। মহান আল্লাহ তাআলা আরো ইরশাদ, করেন আমি তোমাদের সামান্য ভয়, খুধা ও জান-মালের ক্ষয় ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করবো। সুতরাং (হে নবী) আপনি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। -সূরা বাকারা, ১৫৫
তাই দুনিয়ার জীবনে বিপদ-আপদ আসতেই থাকবে; তবে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। বরং ধৈর্যের সাথে সম্মুখ পানে এগিয়ে যেতে হবে। এবং বেশি বেশি করে মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ অব্যাহত রাখতে হবে। একটা কথা চিন্তা করা দরকার যে, মহান আল্লাহ তাআলা যে পরিমান নিয়ামত আমাদের দান করলেন আমরা সে পরিমান শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে পেরেছি কী? তাহলে মহান আল্লাহর কাছে আমরা অভিযোগ করি কীভাবে?
তাই সম্মানিত ভাই আমার! মহান আল্লাহর বাণী হলো- নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। -সূরা আলাম-নাশরাহ, ৫-৬। তাই ধৈর্যের সাথে আপনাকে পথ চলার অনুরোধ করছি। মহান আল্লাহ আপনার জন্য কল্যাণময় দীর্ঘ জীবন দান করুন। এবং আপনার দুঃখ মোচন ও কষ্ট লাঘব করুন। আমীন।