আমার কি নামাজ হবে এবং কোরআন তেলাওয়াত করা যাবে?
4 Answers
মাসিক বন্ধ হওয়ার পর গোসল করে পবিত্র হওয়ার আগ পর্যন্ত কোন ইবাদত যেমন: নামায, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি করা বৈধ না। আর আপনার জানা কথাটি ঠিক নয়। বরং নিয়ম সেটাই যা উপরে উল্লেখ করা হলো।-সুনানে নাসাঈ; হা. ২০১
না, হায়েয পূর্ণ বন্ধ হওয়ার আগে তেলোয়াত নামাজ পড়তে পারবেন না। আপনি যেমন জেনেছেন বিষয়টা তেমন না। যে, যে ওয়াক্তে শুরু হয়েছে ওই ওয়াক্ত থেকেই পড়তে হবে। বরং আপনার হায়েয বন্ধ হওয়ার পর গোসল করে ওই ওয়াক্তের নামাজ পড়া যাবে এই পরিমান সময় যদি বাকি থাকে তাহলে ওই ওয়াক্ত পড়বেন। আর যদি এমন হয় যে ওয়াক্ত পার হয়ে গেছে, তাহলে সে ওয়াক্ত পড়তে হবে না। যে ওয়াক্তে বন্ধ হবে সে ওয়াক্ত পড়বেন।
মেয়েদের মাসিক চলাকালীন সময়ে, তারা অপবিত্র অবস্থায় থাকে। আর অপবিত্র অবস্থায় নামাজ পড়া যায় না, কুরআন ছোঁয়া যায় না। ধরুণ, আপনি এশার নামাজ পড়ে ঘুমালেন, ফজরের নামাজের আগে মাসিক শুরু হলো, সাত দিন মাসিক চললো এবং মাসিক যখন শেষ হলো তখন মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ ও এশার ওয়াক্ত শুরু। যেহেতু ফজরের নামাজের আগে মাসিক শুরু হয়েছে, সেহেতু ঐ দিন ফজরের নামাজ পড়া যাবে না। যেহেতু সাত দিন মাসিক চলেছে, সেহেতু ঐ সাত দিন নামাজ পড়া যাবে না, কুরআন ছোঁয়া যাবে না। যেহেতু মাসিক যখন শেষ হয়, তখন মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ এবং এশার ওয়াক্ত শুরু, সেহেতু ঐদিন মাগরিবের নামাজ পড়তে হবে না, গোসল করে পবিত্র হয়ে এশার নামাজ পড়তে হবে। মোটকথা, মাসিক চলাকালীন অপবিত্র অবস্থায় নামাজ পড়া যাবে না, কুরআন ছোঁয়া যাবে না। আর মাসিক না থাকলে পবিত্র অবস্থায় নামাজ পড়া যাবে, কুরআন ছোঁয়া যাবে। ধন্যবাদ।