1 Answers
মাসে দুই বার বা এক মাসে একের অধিক মাসিক শুরু হলে তা অনিয়মিত মাসিক বলে বিবেচিত হবে। ইহার হওয়ার কারণ হলো
- শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণে এই সমস্যা হয়।
- বিবাহিত নারীরা হঠাৎ জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ বন্ধ করে দিলে বা অনিয়ম করে পিল সেবন করলে এই সমস্যা হতে পারে।
- বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপের ফলে হতে পারে।
- অতিরিক্ত ইমার্জেন্সি পিল সেবন করলে এই সমস্যা হতে পারে।
- শরীরের রক্ত কমে গেলে অর্থাৎ এনিমিয়া হলে অনিয়মিত মাসিক হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- অনেকের ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে গেলে এই সমস্যা হয়।
- জরায়ুর বিভিন্ন জটিলতার কারণে হতে পারে।
- সহবাসের সময় পুরুষের শরীর থেকে আসা অসুখের কারণে হতে পারে। যেমন : গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি।
- শরীরে টিউমার ও ক্যানসার ইত্যাদি অসুখে হতে পারে।
- শরীরে অতিরিক্ত ওজন বা শরীর মোটা হলে এই সমস্যা হতে পারে
- যেসব নারী শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ান সেসব নারীর অনিয়মিত মাসিক হতে পারে।
তবে এর জন্য আপনি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন যা হলো
নিয়মিত টক জাতীয় ফল বিশেষ করে তেঁতুল মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে থাকে। ইত্যাদি টকের আচার খেতে হবে নিয়মিত ৩/৪ মাস দিনে ২/৩ বার করে।
- আপনার শরীরের ওজন সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।
- তাকে মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
- পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
- আয়রন জাতীয় খাবার খেতে হবে যাতে শরীরে পরিমিত পরিমাণে রক্ত থাকে এছাড়াও আয়রন সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে ।
নিয়মিত ব্যয়াম করতে হবে লং ঝাপ, লং দৌড়নো, বা নিত্য দেওয়া ইত্যাদি ভাবে শরীরির চর্চা করতে পারেন। এবং সব শেষ বলবো অবশ্যই একজন যৌন বিশেষজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসা নিতে নিয়ে ৩ মাস টানা ঔষধ খেতে পারেন তাহলে আপনার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। ইনশাআল্লাহ।
2483 views
Answered