3 Answers
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্ষ বিদীর্ণ হয়েছে মোট দুইবার। একবার নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স যখন পাঁচ বছর, তখন তার দুধ ভাইয়ের সাথে মাঠে ভেড়া চড়ানো সময়। নবীজির বক্ষ বিদীর্ণ করা হয়েছিল।(১)
রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর পবিত্র বক্ষ মোবারক মোট চারবার বিদীর্ণ করা হয়।
প্রথমবার, চার বছর বয়সে দুধভাই আবদুল্লাহর সাথে চারণভূমিতে থাকাবস্থায়। হালীমার নিকটে আসার পর জন্মের চতুর্থ কিংবা পঞ্চম বছরে শিশু মুহাম্মাদ (সঃ)-এর সীনা চাক বা বক্ষ বিদারণের বিষ্ময়কর ঘটনা ঘটে। ব্যপারটি ছিল এই যে, মুহাম্মাদ (সঃ) অন্যান্য সাথীদের সাথে খেলছিলেন। এমন সময় জিবরাঈল ফেরেশতা এসে তাকে অনতিদূরে নিয়ে বুক চিরে ফেলেন। অতঃপর কলিজা বের করে যমযমের পানি দিয়ে ধুয়ে কিছু জমাট রক্ত ফেলে দিলেন এবং বললেন, 'শয়তানের যে অংশ তোমার মধ্যে ছিল, সেটা এই'। অতঃপর বুক পূর্বের ন্যায় জোড়া লাগিয়ে দিয়ে তিনি অদৃশ্য হয়ে গেলেন। পুরা ব্যপারটা খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যায়। সাথী বাচ্চারা ছুটে গিয়ে হালিমাকে খবর দিল যে, মুহাম্মাদ নিহত হয়েছে। তিনি ছুটে এসে দেখেন যে, মুহাম্মাদ (সঃ) মলিন মুখে দাড়িয়ে আছে।
দ্বিতীয়বার, দশবছর বয়সে মরুভূমিতে থাকাবস্থায়।
তৃতীয়বার, রামাজান মাসে নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে হেরা গুহায় অবস্থান কালে।
চতুর্থবার, মি'রাজের রাতে হাতিমে কা'বায় তাশরীফ গ্রহণের পর। ব্যাপরটি ছিল এই যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) রাতের সালাত আদায় করে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এমতাবস্থায় ঘরের ছাদ ভেদ করে ফেরেশতাগণ অবতরণ করলেন। জিবরাঈল (আঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে যমযমের কাছে নিয়ে গেলেন। তারপর তার "সাক্কুস সাদর" বা বক্ষ বিদীর্ণ করলেন এবং তাকে যমযমের পানিতে ধুয়ে আবার যথাস্থানে লাগিয়ে দিয়ে বক্ষ মিলিয়ে দিলেন।
তথ্যসূত্রঃ (তরীকুল ইসলাম, রাসূলের জীবনী পর্ব)
রাসূর সা. ৪ বার করা হয়ে ছিলো যারা করে ছিলো তারা হলো হযরত জিবরাহিল আ. হযরত মিকাঙ্গিল আ.