2 Answers
বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের প্রতি ২৮ দিন পর পর ৩-৭ দিন পর্যন্ত যে রক্তক্ষরণটা হয় তাকে ঋতুস্রাব/পিরিয়ড/হায়েজ/মিন্স ইত্যাদি বলা হয়। সাধারণত ২৮ পর পর ১ বার এটা হওয়ার কারণে একে মাসিক নামেও ডাকা হয়। যদি কারো ৩ দিনের কম সময় ও ৭ দিনের বেশি সময় এই রক্তক্ষরণ টা হয়। তাহলে ঐ কম বা বেশি সময়টা অসুখ/রোগ বলে গণ্য হবে। তদ্রুপভাবে যদি এই রক্তক্ষরণ ২৮ দিনের কম বা বেশী সময়ে হয়ে যায় তাহলে তাকেও অসুখ/রোগ বলে গণ্য করতে হবে। এক্ষেত্রে যদি প্রতি মাসে ২ বার মাসিক হয়। তবে অসুখ/রোগ হিসেবেই ধরে নিতে হবে। (যদি কোন ১টি মাসে এরকমটা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা) কিন্তু প্রতি মাসে এই রকম চলতে থাকলে শরীরে রক্তশূন্যতা, সহ আরও অনেক গুলো সমস্যার সম্মূখীন হতে পারেন। কাজেই বিলম্ব না করে কোন একজন গাইনী ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
আসলে মাসিক অস্বাভাবিক হওয়ার কারনে মাসে দুই বার বা একাধিক বার মাসিক হয় তবে জেনে রাখুন মাসিকের অস্বাভাবিক লক্ষণ গুলো-
-
মাত্রাতিরিক্ত রক্তপাত
- ৭ থেকে ১০ দিনের বেশি সময় ধরে রক্তপাত
- মাসে একাধিকবার মাসিক হওয়া
- তলপেটে অত্যধিক ব্যথা
- মাসিক চলাকালীন সময় জ্বর
মাসিকের সময় অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে যে সমস্যা গুলো দেখা দেয় তা হলো
-
প্রতিমাসে নিয়মিত ঋতুস্রাব হয় না। এক মাসে রক্তপাত হলে হয়তো আরেক মাসে হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে দুই-তিন মাস পরপর হয়ে থাকে।
-
ঋতুস্রাব বেশি সময় ধরে হয়। কখনো অল্প রক্তপাত হয় আবার কখনোও বেশি হয়।
-
সন্তান ধারণ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
-
অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ হতে পারে।
-
এ ছাড়া মেজাজ খিটখিটে থাকা এবং অস্বস্তিবোধ তৈরি হয়।