2 Answers
খ্রিস্টানদের বড়দিনের শুভেচ্ছা জানালে অবশ্যই পাপ হবে। ইসলামে বিধর্মীদের সাথে কোনরূপ সাদৃশ্য রাখতে নিষেধ করেছে। অন্য ধর্মের কোন দিবসকে শুভেচ্ছা জানানো নিজ ধর্মকে অবহেলা করার শামিল ।
ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুশরিকরা মুসলিমের শত্রু। যে কোনো নববর্ষ কিংবা বড়দিন বা যে কোন উৎসব উদযাপন করে আমরা যাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছি, তারা প্রকৃতপক্ষে আমাদের শত্রু। তারা কখনো আমাদের বন্ধু হবে না। তারা আমাদের দ্বীন ও নবী (সঃ)-কে নিয়ে উপহাস করে। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন " হে মুমিনগণ, তোমরা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যারা তোমাদের দীনকে উপহাস ও খেল-তামাশারূপে গ্রহণ করেছে, তাদের মধ্য থেকে তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে ও কাফিরদেরকে। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক।" (সুরা মায়িদা, আয়াত নং ৫৭)।
আল্লাহ তায়ালা অন্যত্র ঘোষণা দিয়েছেন, "অর্থঃ হে মুমিনগণ, ইয়াহূদী ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ যালিম কওমকে হিদায়াত দেন না। (সুরা মায়িদা, আয়াত নং ৫১)।
অতএব, তাদের উৎসবে যোগ দেয়া, তাদের সমর্থন জানানো কিংবা কোন ধরণের সহায়তা করা নিজের দীনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এ সম্পর্কে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। হাদীসটি হল- "হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) মাদীনাতে এসে দেখেন, মাদীনাবাসীরা নির্দিষ্ট দু’টি দিনে খেলাধুলা ও আনন্দ করে থাকে। রাসূল (সঃ) তাদের জিজ্ঞেস করলেনঃ এ দু‘টি দিন কিসের? সকলেই বললো, জাহিলী যুগে আমরা এ দু’ দিন খেলাধুলা করতাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেন, মহান আল্লাহ তোমাদের এ দু’ দিনের পরিবর্তে উত্তম দু‘টি দিন দান করেছেন। তা হলো, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিত্বরের দিন। (আবু দাউদ, হাদীস নং ১১৩৪)।
জনাব! কোনো মুসলিমের জন্য বৈধ নয় ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুশরিকদের উৎসব পালন করা, যেমন নববর্ষ ও অন্যান্য উৎসবসমূহ। তার মধ্যে বড়দিন উল্লেখযোগ্য একটি। তাছাড়াও বড়দিন যে ২৫ ডিসেম্বর, এ নিয়ে খ্রিস্টানদের মধ্যেই মতবিরোধ রয়েছে।