1 Answers
প্রশ্নটির বিভাগ পরিলক্ষিত করলে এখানে স্বাস্থ্যগত
দিক বোঝানো হয়েছে।
শারীরিক মিলন /সন্তান জন্মদানে বা প্রজনন জাতীয়
কোনো সমস্যা হবে না।
কোনো সমস্যাই দেখছি না আমি স্বামী অপেক্ষা স্ত্রীর বয়স
বেশি হলে, তবে সাধারণ ভাবে ২টি বিষয় পরিলক্ষণ হয়
যে স্বামী স্ত্রী অপেক্ষা বয়সের দুরত্ব বেশি হলে ------
- স্ত্রী স্বামীর তুলনায় প্রবীন/সৌন্দার্যগত দিক দিয়ে আগে ব্যাহত হন ( এটা কারো কাছে সমস্যা আবার কেউ ভালবাসার মায়ায় এসব ভাবেন ও না)
- স্বামী স্ত্রীর থেকে বয়সে বেশি হলে সন্তান পরিকল্পনা তুলনামুলক ভাবে আগে করতে হয় ( এবিষয়টিও একই ধরনের কারো কাছে বাধা আর কারো কাছে কিছুই না)
- আপনার বাসা যদি গ্রামে হয় কুসংস্কার সহ গ্রামের লোকেরা আপনার এমন বিবাহের জন্য নীতিবাচক ভাবে দেখতে পারে, তবে বাস্তবে এটা শুধু দৃষ্টিভঙ্গিতেই একটু কেমন দেখায়, সংসার জীবনে কোনো সমস্যার প্রভাব ফেলে না।
- ইসলামিক দৃষ্টিকোণে দৃষ্টান্তস্বরূপ হযরত মহানবী (সঃ) বিয়ের সময় খাদিজার বয়স ছিলো ৪০ বছর এবং তাঁর বয়স ছিলো ২৫ বছর। মুলত মুহাম্মদ (সঃ) এর চারিত্রিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে খাদিজা তাঁকে বিয়ে করেন। এই দৃষ্টান্ত দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছি আশা করি বুঝেছেন।
আমার ব্যাক্তিগত ভাবে উপদেশ হলো যদি আপনার স্ত্রীকে দেখতে আপনার তুলনায় তেমন বয়স্ক না মনে হয় বা তার মুখে বয়স্কের কোনো ছাপ না থাকে এবং আপনার সাথে মানানসই হয় এবং আপনারদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক থাকে তবে তাকে বিয়ে করতে পারেন এক্ষেত্রে বয়স দেখবেন না।
সম্পূর্ণ উত্তরটি বুঝার পর আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
2933 views
Answered