6 Answers
বুকে হাত বাঁধা নিয়ে কেউ বলে নাভির নিচে, কেউ বলে নাভির উপর বা বুকে হাত বাঁধতে। আসলে এটা নিয়ে তর্ক করা বোকামী। আসল কথা হলো সালাতের মধ্যে সূরা ফাতিহা পাঠ করলো নাকী আর তাঁর সাথে অন্য কোনো সূরা পাঠ করলো নাকী এটা নিয়ে আলোচনা করা দরকার। কারণ এসব ছাড়া নামায হয় না।
বুকের উপর হাত বেঁধে নামাজ পড়া জায়েজ আছে।তবে নাভির নিচে হাত বেঁধে নামাজ পড়া উত্তম।
আপনি কীভাবে নামাযে হাত বাধলেন সেটা ব্যাপার না..নামায সঠিক ভাবে নামায আদায় করতে হবে.
রাসুল বলেছেন তোমরা সেভাবেই নামাজ পড় যেভাবে আমাকে পড়তে দেখেছ,,, তিনি ত বুকের উপর হাত বাধেন নি,,, ,, কিন্তু তারপরেও মহিলা ও পুরুষের নামাজের কিছু প্রার্থক্য আছে যটা রাসুলের জামানা হতে মহিলারা নামাজ পড়েছে,, আর বুকের উপর হাত বাধা সেই প্রার্থক্য এর মধ্যে শামিল।।।
ইসলামে বুকে বা নাভির নীচে হাত বেঁধে নামায পড়ার বিষয় একটি বিতর্কিত মাসালা। বুকে বা নাভির নীচে যেখানেই হাত বাঁধা হোক না কেন নামায হয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ। তবে নামাযের সময় বাম হাতের উপর ডান হাত রাখতে হবে এটাই মুল কথা। আবূ তাওবা, তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযরত অবস্হায় ডান হাত বাম হাতের উপর স্হাপন করে তা নিজের বুকের উপর বেঁধে রাখতেন। (আবু দাউদঃ ৭৫৯) [হানাফি মাজহাব মতে হাত নাভির নীচে বাঁধতে হবে]
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy