পা ফাটা থেকে স্থায়ী সমাধান?
6 Answers
প্রতিকারের কিছু পদক্ষেপঃ ১. খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় পা মোজা দিয়ে ঢেকে রাখুন। ২. ঘরের ভেতরে মেঝেতে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। ৩. শীতকালে গোড়ালি ঢাকা ও আরামদায়ক জুতা পরার চেষ্টা করুন। ৪. শীতকালীন বেশি বেশি শাকসবজি খান। ৫. শীতকালে অনেকেরই পানি পানের পরিমাণ কমে যায়। সেক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে। ৬. প্রতিদিন গোসল বা অজুর সময় পা ভেজানোর পর শুকনো তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। ৭. গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন। ৮. সপ্তাহে অন্তত এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন। ৯. গামলায় লেবুর রসমিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে পা ঘষে মৃত কোষ ফেলে দিন। লেবুর রসে যে অ্যাসিটিক অ্যাসিড আছে তা মৃত কোষ ঝরতে সাহায্য করবে। তারপর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন। ১০. জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
আপনি প্রতিদিন "মেরিল পেট্রোলিয়াম জেলি" ব্যবহার করুন এবং পায়ের স্লেভ আগের মতো নিয়ে আসতে লেবুর রস খুব কার্যকরি। আপনি প্রতিদিন নিয়মিত লেবুর রস পায়ে ব্যবহার করুন এবং ব্যবহারের ১-২ ঘন্টা পর কুসুম গরম পানিতে ধূয়ে ফেলুন।
পা ফাটা প্রতিকারে Krack ক্রিমটি ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন রাতে পায়ের গোঁড়ালিতে ভালো করে মাখবেন। এটা মেখে হাঁটাহাঁটি না করে সোজা ঘুমাতে যাবেন। তাহলে কয়েকদিনেই সেরে যাবে। পা ফাটা প্রতিরোধে শীত আসার থেকে ঘরে স্যান্ডেল ব্যবহার করবেন। পায়ে মোজা-জুতা ব্যবহার করবেন। গোসলের পরে অলিভ অয়েল বা সরিষার তেল মাখবেন। পা যেন সবসময় আদ্র থাকে সেটা খেয়াল করুন এবং প্রয়োজনে মায়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
খোলা সান্ডেল পড়ার অভ্যাস থাকলে অন্তত ১০দিনে একবার হলেও পেডিকিওর করুন। পা শুষ্ক রাখবেন না। ভেজলিন ব্যাবহার করুন।প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন।
নিয়মিত
পা ময়েশ্চারাইজ়
করলে গোড়ালি ফাটা বন্ধ হয়ে
যায়৷ একবার
ফাটা দেখা দিলে, রোজ
পিউমিস স্টোন
দিয়ে ঘষে পুরু ও
ফাটা চামড়ার স্তর
আস্তে আস্তে কম
করা যেতে পারে৷
(2)
দিনে অন্তত দুবার
পা ময়েশ্চারাইজ় করলে ও
ঘুমোনর সময়
ময়েশ্চারাইজ়ারের উপর
মোজা পরে শুলেও উপকার হবে৷
(3)
পা ফাটা (প্রতিরোধের জন্য)
প্রতিদিন সকালে গোসলের
আগে পায়ে ভাল করে ১
চা চামচ তিল তেল বা নারকেল
তেলের সঙ্গে ৩-৪
ফোঁটা ল্যাভেন্ডার
অয়েল বা আমন্ড অয়েল, ১
চা চামচ গিস্নসারিন, ১ চামচ
গোলাপ পানি, 1 চামচ
ভিনিগার
মিশিয়ে নিয়ে পুরো হাতে,
পায়ে, পায়ের পাতায়
লাগিয়ে রাখুন 10 থেকে মিনিট
১৫ মিনিট
সামান্য গরম
ঠান্ডা পানিতে হাত-
পা ধুয়ে নিয়ে আলতো করে
ও গ্লিসারিন মালিশ
করে নিন।
(4)
বাড়িতে সব সময় স্লিপার
বা সুতির মোজা পরা অভ্যাস
করুন ।
(5)
১ চা চামচ পেট্রোলিয়াম
জেলির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ
মুলতানি মাটি, ১ চা চামচ মধু,
২ চা চামচ গিস্নসারিন, ১
চা চামচ মুগডাল বাটা, ২
চা চামচ গোলাপ
পানি দিয়ে পেস্ট
বানিয়ে পুরো পায়ে ১৫
মিনিট
লাগিয়ে রেখে হাল্কা গরম
পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
নিয়মিত এই প্যাক
লাগালে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন।
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের কিছু উপায়। গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক পায়ের গোড়ালি ফাটা যদি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তাহলে আপনি অনায়েসে এটি ফুট মাস্ক ব্যবহার করে দূর করতে পারেন। পদ্ধতিঃ ফুট মাস্কের জন্য আপনার লাগবে লবন, লেবুর রস, গ্লিসারিন, গোলাপ জল ও কুসুম গরম পানি। একটি বড় পাত্রে ২ লিটার কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে ১ চা চামচ লবন, ১ টি গোটা লেবুর রস, ১ কাপ গোলাপ জল দিয়ে এতে পা ভিজিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর একটি মাজুনি কিংবা পেডিকিউরের পিউমিস স্টোন বা ঝামা ইট দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে ঘষে শক্ত, মোটা ও মরা চামড়া তুলে পা ধুয়ে ফেলুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ১ চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে পায়ে লাগান। এভাবে রেখে দিন পুরো রাত। একটু চিটচিটে লাগতে পারে। কিন্তু আপনাকে সহ্য করে নিতে হবে। সকালে উঠে কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যাবহারে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই পা ফাটা গায়েব হয়ে যাবে। নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক যদি পা ফাটা একটু বেশী খারাপ পর্যায়ে চলে যায় তবে এই ফুট মাস্কটি আজকে থেকেই প্রতিদিন ব্যাবহার করার চেষ্টা করুন। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। পদ্ধতিঃ একটি কলা টুকরো করে নিন। এরপর তাজা ৩/৪ খণ্ড নারকেল নিন। দুটিতে একসাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে ফাটা স্থানে ভালো করে লাগাবেন। শুকিয়ে উঠলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল না পান তবে একটি কলা পিষে নিয়ে এতে ২/৩ চা চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে লাগাতে পারেন। প্রাকৃতিক স্ক্রাব ও তেল পা ফাটা রোধের সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে প্রাকৃতিক স্ক্রাবের ব্যাবহার। ঘরোয়া ভাবে তৈরি এই স্ক্রাবটি প্রতিদিন ব্যাবহার করে খুব দ্রুত পা ফাটা রোধ করতে পারবেন। পদ্ধতিঃ স্ক্রাবটি তৈরি করতে আপনার লাগবে ২/৩ চা চামচ চাল, সাদা ভিনেগার ও মধু। প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন। ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা শিল পাটায় বেটে নিতে পারেন। একটু দানা দানা করে চাল পিষে নেবেন। এরপর এতে পরিমাণ মত ভিনেগার ও মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। একটি বড় পাত্রে কুসুম গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করে পা সেভাবেই রেখে দিন ১০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। তারপর খানিকটা অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy