প্রেসার লো থাকলে কোনো সমস্যা হবেহবেপ্রেসার সটিক রাখার?
2 Answers
অবশ্যই সমস্যা হবে । লো প্রেসারের কারণে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা, ঘাড় বেথা করা । প্রেসার বেশি লো হয়ে গেলে কোষের রক্ত সঞ্চালন ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার ফলে মৃত্যুও হতে পারে । নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করলে এবং পরিমিত পানি পান করলে প্রেসার ঠিক থাকবে ।
একজন সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে, তাহলে তা লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়।
প্রেসার যদি খুব বেশি নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃৎপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না। ফলে অসুস্থতা দেখা দেয়। তাই প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। যেমন:-
লবণ-পানি:
লবণে আছে সোডিয়াম। তা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করতে হবে।
কিশমিশ:
হাইপার টেনশনের ওষুধ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিশমিশ। এক-দুই কাপ কিশমিশ সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি খেয়ে নিন। এছাড়া পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।
পুদিনা:
ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান। যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনা পাতা বেঁটে এতে মধু মিশিয়ে পান করুন।
যষ্টিমধু:আদিকাল থেকেই যষ্টিমধিু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।