এক প্রজাতির প্রানীকে মাঝেমাঝে আরেক প্রজাতিকে রক্ষা করতে দেখা যায়???যেমন ডলফিন ডুবন্ত মানুষকে উদ্ধার করে। ডলফিন কোন বই পড়ে একাজ করে?? তাহলে কি বলতে চান ধর্মগ্রন্থ বাদে আমরা মানুষরা পশুর থেকেও অধম??
2750 views

3 Answers

উত্তরঃ মানুষকে বলা হয়েছে সব থেকে বুদ্ধিমান প্রাণী, কিন্তু লক্ষকরেন। একটি শিশু জন্মের পর পরেই তার কোনো বিবেক বুদ্ধি থাকেনা, আর সে বড় হবার সাথে সাথে আমাদের পরিবেশের বিভিন্ন্য কিছু দেখে বা শুনে কিছু শিক্ষা অর্জন করে। হোক সেটা ভুল কিংবা সঠিক। যেমন আমরা বই থেকে জ্ঞান অর্জন করি, ঠিক তেমনি ধর্ম গ্রন্থ আমাদের ইজ্ঞিৎ করে, কেনো আমাদের পৃথিবীতে আবির্ভাব, আমাদের কোন পথে চলতে হবে, কোনটি সঠিক কোনটি ভুল। তাই ধর্ম গ্রন্থ নৈতিকতার একমাত্র উৎস।  মূলকথা একটি শিশু জন্মের পর পরই কি ভাবে জানতে পারে যে তাকে বাচার জন্য কিছু খেতে হবে। এই জ্ঞানটি মহান আল্লাহ তালা অর্থাৎ আমাদের সৃষ্টি কর্তাই আমাদের দেন। যেমন আপনি চিন্তা করেন, আপনি একটা রোবট বানালেন আর তাতে যদি কোনো নির্দেশনা না দেন তাহলে সেটি কোনো কাজ করবেনা। যেহেতু সব মানুষের বিবেক বুদ্ধি এক নয়। সর্বোত্তম প্রাণী মানুষ, আল-কুরাআনে আল্লাহ বলেছেন, মানুষ ভুলের অধিন আর এই ভুলের থেকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক নবী রাসুল পাঠিয়েছেন। এবং তিনি আরো বলেছেন হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর পরে আর কোনো নবী রাসুল আসবেনা। তাই আল্লাহ বিভিন্ন্য সময় প্রাণীর মাধ্যমে দেখান যে তোমরা ভুল আমার থেকে শিক্ষা নাও ধন্যবাদ

2750 views

ওদের ভিতর ধর্মগ্রন্থের সকল বিষয় পূর্ব থেকেই ইন্সটল দেয়া আছে। তাই নতুন করে ধর্মগ্রন্থ পড়ার প্রয়োজন পড়ে না। আর মানুষকে জন্ম গ্রহণ করার পর শিখার সুযোগ হয়। তাই কোন জটিলতা থাকল না।

2750 views

প্রানীর মাঝে আমরা যে  নৈতিকতা দেখতে পাই তা মূলত নৈতিকতা নয় তাহল স্রষ্টা কর্তৃক প্রানীকে দেওয়া সামান্য বিবেকানূভূতি মাত্র। যা দিয়ে সে সামান্য কিছু ভাল বা মন্দ করতে পারে । কিন্ত মানুষ তার থেকে হাজার গুন বেশী বিবেকসম্পন্ন। যার কারনে মানুষ একটা বিষয় কে  বিভিন্ন ভাবে ভাবতে পারে বা বিভিন্ন এংগেলে উপস্থাপন করতে পারে । সে হিসেবে মানব জাতির কল্যাণার্থে স্রষ্টা কর্তৃক নির্ধারিত  ধর্মগ্রন্থই হতে পারে সঠিক পথের দিশারী ।           

2750 views

Related Questions