3 Answers
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন সহ বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি পর্যায়কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। স্মৃতিসৌধের সাত জোড়া দেয়াল স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ভিন্ন পর্যায় নির্দেশ করে।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সংখ্যা ৭টি। এই ৭ সংখ্যাটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন ভাবে তাৎপর্য পূর্ণ মনে করা হয়। রংধনুর ৭ রং, আবার আমাদের বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর। যেখানে ১+৬=৭ । আবার বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭মার্চ এর রেসকোর্স ময়দানের ভাষন। এসকল নির্দেশনার উপর ভিত্তি করেই স্মৃতিসৌধ নির্মিত।
স্মৃতিসৌধের ৭টি স্তম্ভ ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বড় বড় সাতটি আত্মত্যাগ ও আন্দোলনের প্রতীক:
> একেবারে নিচের খাঁজটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রতীক।
> তারপরের খাঁজটি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের প্রতীক ।
> পরেরটি ১৯৫৮ সালের সামরিক আইউব বিরোধী আন্দোলনের প্রতীক।
>পরেরটি ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনের প্রতীক।
>পরেরটি ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের প্রতীক।
> পরেরটি ১৯৬৯ সালের আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলনের প্রতীক।
> একেবারে উঁচু খাঁজটি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতীক৷
সূত্র: https://www.teachers.gov.bd/content/স্মৃতিসৌধের-৭টি-স্তম্ভ