আমি মুদি দোকান অনলাইন শপ দিতে চাই ৷?
2 Answers
আপনি প্রথমে একটা হোস্টিং, ডোমেইন নিয়ে নিন। দাম ৫০০/- হোস্টিং এবং ডোমেইন কম নিলে যে হোস্টিং সাইট থেকে কিনবেন তাড়াই আমি যে বলব তাড়া তার চেয়ে বেশি বা কম দাম দিয়ে নিবে।(তাই ডোমেইন ফ্রি ধরলাম) আপনার ৫০০/- খরচ করতে হবে।যায়গা বলতে কোন যায়গা বোঝাচ্ছেন জানি না। আপনি এখান থেকে হোস্টিং নিন। আর যদি বলেন কেমন যায়গাতে অফিস বানাবেন - আমি বলতে পারি[ শুরু করার সময় যেখানে সেখানে বানিয়ে ফেলুন। পড়ে ভেবে চিন্তে বানাবেন ]
এ ব্যবসার জন্য মেইন রোড বা ফেমাস স্পেস হলে অতি অল্পতেই ব্যবসা প্রচার ও প্রসার লাভ করবে। আর বাজেট আনুমানিক ৫ লাখ হলেও মোটামুটি চলবে। তবে বেশী হলে ভাল হবে। আর অনলাইন বিজনেসের একটি রূপ-রেখা নিম্নে প্রদার করা হলো আশাকরি আপনার অপকার হবে।
১। বিজনেস প্ল্যান করা : পণ্য বা সেবা নির্বাচন করুন। কোন শ্রেণীর লোক মূলত আপনার ক্রেতা হবে, তা নির্দিষ্ট করুন। কী ওয়ার্ড পর্যালোচনা করুন, কি পরিমান সম্ভাব্য ক্রেতা আছে, আপনার অবস্থান, বাজেট, মার্কেটিং পলিসি কি হতে পারে তা নির্ধারণ করুন
২। বিজনেস প্ল্যান লেখা : আপনার পণ্য বা সেবাকে সঠিক ভাবে ক্রেতার নিকট বোধগম্য করার জন্য কন্টেন্ট লিখুন, নিয়মিত কন্টেন্ট যেমন: কি কি পণ্য / সেবা দিচ্ছেন, এর সুবিধা কি কি, কাদের জন্য, এইরকম কন্টেন্ট আপনার প্রোফাইল পেজ, কন্টাক্ট পেজ, প্রাইভেসী পেজ, টার্মস এন্ড কন্ডিশন পেজ এবং অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে এফিলিয়েট থাকলে ডিসক্লেইমার পেজ এন্ড ডিসক্লোজার পেজ তৈরী করুন। এরপর অনপেজ এস এ ও করে আপনার সবগুলো পেজ কে সঠিক ভাবে আপনার পূর্বে নির্বাচিত কী ওয়ার্ড অনুযায়ী অপ্টিমাইজেশন করে নিন
৩। বিজনেস, ডোমেইন নেম রেজিস্টার : ডোমেইন নাম নিবন্ধন করুন, এমন একটি ডোমেইন নাম নির্বাচন করুন, যেন নাম থেকেই আপনার বিজনেস এর ধরন বুঝা যায়, এতে করে মানুষ সহজে মনে রাখতে পারবে
৪। ওয়েবসাইট তৈরি এবং ম্যানেজমেন্ট : এরপর এমন একটি ওয়েবসাইট তৈরী করুন যেন আপনার পণ্য বা সেবাকে খুব সুন্দর ভাবে ক্রেতার নিকট উপস্থাপন করা যায়, আর এটিই হলো আপনার অনলাইন বিজনেস প্লাটফর্ম । আপনার ওয়েবসাইটকে অনলাইন করার জন্য ভালো মানের একটি হোস্টিং নির্বাচন করুন। এরপর আপনার ওয়েবসাইট এর নিয়মিত নিরাপত্তা চেক করুন, আপডেট করুন, ব্যাকআপ রাখুন এবং আরো কিভাবে ভালো বিজনেস করা যায় তা পর্যালোচনা করুন।
৫। সামাজিক মাধ্যমে মার্কেটিং : অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, নিয়মিত কনটেন্ট মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, ও বিভিন্ন প্রকার লিংক বিল্ডাপ এর মাধ্যমে ভালো ভাবে অফ-পেজ এস এ ও করুন। ফেইসবুক সহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমগুলো ভালভাবে পরিচালনা ও অন্যান্য কৌশলগুলো ও জানতে হবে।
৬। বানিজ্যিক অ্যাকাউন্ট খোলা : বিভিন্ন গ্রাহকের সাথে লেনদেন করতে হলে একটা আলাদা অ্যাকাউন্ট খোলা ও মেইনটেইন করতে জানতে হবে।
৭। যোগাযোগ বৃদ্ধি : প্রথমেই আপনার অনেক ক্রেতা তৈরি হবে না। শুরুতে পরিচিতদের আপনার বিজনেস সম্পর্কে জানান এবং ধীরে ধীরে বিভিন্ন রকমের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়লে আপনার আইডিয়া ও ক্রেতা দুটোই বাড়বে।
৮। ব্যবসায়ের আইন কানুন : আইন মেনে ব্যবসা করতে হবে। সেক্ষেত্রে সাধারণ আইনের পাশাপাশি সাইবার আইন মেনে চলতে হবে।
একটি কথা মনে রাখবেন, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত উপার্জন পেতে গেলে প্রতিটা বিষয়কে গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে। আন্তরিকভাবে নিয়মিত কাজ এবং পর্যবেক্ষণ এর মাধ্যমে যে কোনো ব্যাবসায় সফল হয় যায়।