সঠিক উত্তর চাই !
3004 views

4 Answers

আপনার মোবাইলের ইনবক্স available স্টোরেজ (মেসেজ আসার জায়গা ) খালি আছে কিনা চেক করুন। এরপরেও সমস্যা হলে হ্যান্ডসেট পরিবর্তন করে চেস্টা করুন।

3004 views

পৃথিবী সৃষ্টির মূল রহস্য হলো। এ জগত সৃষ্টি করে মহান আল্লাহ তাআলা তার বান্দার নিকট আপন ক্ষমতা ও শক্তি বিষয়টিকে স্পষ্ট করেছেন। অর্থাৎ তিনি তাঁর বান্দাকে জানাতে চেয়েছেন যে, তিনি কত বড় ক্ষমতার অধিকারী। প্রমাণ- সূরা ফুসসিলাত : আয়াত নং ৯-১৩

قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُ أَندَادًا ذَٰلِكَ رَبُّ الْعَالَمِينَ ( 9 )
বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।
وَجَعَلَ فِيهَا رَوَاسِيَ مِن فَوْقِهَا وَبَارَكَ فِيهَا وَقَدَّرَ فِيهَا أَقْوَاتَهَا فِي أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ سَوَاءً لِّلسَّائِلِينَ ( 10 ) ফুসসিলাত - Ayaa 10
তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।
ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ائْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا قَالَتَا أَتَيْنَا طَائِعِينَ ( 11 ) ফুসসিলাত - Ayaa 11
অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।
فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِي كُلِّ سَمَاءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَحِفْظًا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ ( 12 ) ফুসসিলাত - Ayaa 12
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন। আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।
فَإِنْ أَعْرَضُوا فَقُلْ أَنذَرْتُكُمْ صَاعِقَةً مِّثْلَ صَاعِقَةِ عَادٍ وَثَمُودَ ( 13 ) ফুসসিলাত - Ayaa 13
অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলুন, আমি তোমাদেরকে সতর্ক করলাম এক কঠোর আযাব সম্পর্কে আদ ও সামুদের আযাবের মত।
3004 views

মহান আল্লাহ তাআলা তার অনন্ত-অসীম মহিমা প্রকাশের লক্ষ্যে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন। আসমান জমিন এবং এর মধ্যস্থিত যত কিছু আছে এসব কিছু সৃষ্টি করার রহস্য হলো, আল্লাহ মহানের সত্তা ও গুণাবলী এবং মারিফতের প্রকাশ ঘটানো। গোটা সৃষ্টি যেন তাঁর তাসবীহ তাহলীল ও ইবাদত-বন্দেগীতে নিয়োজিত হয়ে তাঁর মহাত্ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করে এটাই মূল উদ্দেশ্য। আসমান-জমিন রয়েছে, রয়েছে পাহাড়-পর্বত, নদী- নালাসহ অসংখ্য-অগণিত সৃষ্টি। হাজার-লক্ষ-কোটি মাখলুকাত। আল্লাহ তাআলা ভাসমান চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র ও অসংখ্য তারকা দ্বারা আসমানকে সুসজ্জিত করেছেন। এই সুসজ্জিত আসমান আল্লাহ্ তাআলার অসীম কুদরতের এক বিশেষ অনন্য নিদর্শন। বিস্তৃত ও বিশাল পৃথিবীকে তিনি বৈচিত্র্যময় পাহাড়-পর্বত, খাল-বিল, নদী- নালা, সাগর-মহাসাগর ও সারি সারি বৃক্ষ ও তৃণলতার সমারোহে বিন্যাস করেছেন। এতে রয়েছে মানুষসহ হাজারো রকমের জীব- জন্তু ও পশুপাখি। মানুষের পুষ্টি ও তৃপ্তির জন্য আল্লাহ তাআলা এই স্থলভূমিতে হরেক রকমের খাদ্যশস্য ও সবজির আবাদযোগ্যতা দান করেছেন। এইভাবেই তিনি পৃথিবীকে করেছেন মানুষের বসবাস উপযোগী- সুন্দর এক জগৎ। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ নিশ্চয় আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে জ্ঞানী লোকেদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। যারা দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা করে এবং বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি এ নিরর্থক সৃষ্টি করনি। তুমি পবিত্র। (আল ইমরানঃ ১৯০ -১৯১) জাল যঈফ হাদিস থেকে পাওয়া যায়, আপনাকে তথা রাসুল (সাঃ) সৃষ্টি না করলে আমি আসমান সমূহ কোন কিছুই সৃষ্টি করতাম না। এটি একটি ভিত্তিহীন রিওয়ায়াত, মিথ্যুকদের বানানো কথা। রাসুল(সাঃ)-এর হাদীসের সাথে এর সামান্যতম মিল নেই।

3004 views

আল্লাহ পরিচিত হওয়ার জন্যএ জগৎ সৃষ্টি করেছেন।

3004 views

Related Questions