2 Answers
১ উত্তর: ঈশার প্রথম সময় হলো যখন অদৃশ্য হয়ে যায় এবং তার শেষ সময় হলো যতক্ষণ না ফজর (সুবহি সাদিক) উদিত হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ্ [সা.] বলেছেন- ‘ঈশার শেষ সময় হলো যতক্ষণ না ফজর উদিত হয়। রাত্রের তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত দ্বারা ঈশার শেষ সময় নির্ধারণের ব্যাপারে এ হাদীছ ইমাম শাফিঈ [রহ.] এর বিপক্ষে দলীল। বিতরের প্রথম সময় হলো ‘ঈশার পরে এবং তার শেষ সময় হলো যতক্ষণ না ফজর উদিত হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ্ [সা.] বিতর সম্পর্কে বলেছেন- ‘ঈশা ও ফজরের মধ্যবর্তী সময়ে তোমরা তা আদায় কর। হিদায়া গ্রন্থকার বলেন, এটা সাহেবাইনের মত। আর ইমাম আবূ হানীফা [রহ.] এর মতে ‘ঈশার সময়ই হচ্ছে বিতরের সময়। তবে তারতীব ওয়াজিব হওয়ার কারণে স্মরণ থাকা অবস্থায় বিতরকে ‘ঈশার আগে আদায় করা যাবে না।।
২ উত্তর : ৪ রাকাত সুন্নত (আদায় করতে পারেন নাও করতে পারেন)
গোধুলী পেরিয়ে রাতের অন্ধকার ঘনিয়ে আসার পর হতে এই নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং রাতের এক তৃতীয়াংশ সময় থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যে কোন সময়ে নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে। ইশার নামাজ মোট দশ রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জায়েদা অনাবশ্যক, চাইলে পড়তে পারেন অথবা নাও পারেন। চার রাকাত ফরজ এবং সবশেষে দুই রাকাত সুন্নত। এছাড়াও তিন রাকাত বিতরের ওয়াজিব নামাজ ইশার দুই রাকাত সুন্নত নামাজের পরেই আদায় করে নেওয়া যায়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নিবে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তাআলা বিতর, তিনি বিতরকে ভালবাসেন। হে কুরআনের বাহকগণ! তোমরা বিতর আদায় কর। বিতরের নামাজ পড়ার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ তাগিদ দিয়ে বলেন, বিতরের নামাজ পড়া আবশ্যক। যে ব্যক্তি বিতর আদায় করবে না, আমাদের জামাআতের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। (আবু দাউদ) [দুই রাকাত নফল নামাজ আপনার উপর। এতে সর্বসাকুল্যে হয় ১৫ রাকাত ]