7 Answers

Dr Md Billal Hossain
ভিডিও কল এ রোগী দেখার সময়ঃ-
প্রতি দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা ও বিকাল ৪ টা থেকে রাত ১২ টা চেম্বার এ রোগী দেখার সময়ঃ- .

অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং-এ যোনীপথে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে। বিশেষ করে যোনীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারণে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে। এমনকি প্রস্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনের কারণে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে।


ফিঙ্গারিং বা হস্তমৈথুন করার ফলে শরীরে যেসব ক্ষতি সাধিত হয়:

  •  ফিঙ্গারিং করলে বিয়ের পর সন্তান জন্মদানে ও পরিপূর্ণ সুখলাভে বাধা সৃষ্টি করে।
  •  ফিঙ্গারিং করলে নিয়মিত মাথাব‍্যাথার সমস‍্যা হয়।
  • ফিঙ্গারিং করলে স্মৃতিশক্তি, মেধাশক্তি, বিবেকশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি লোপ পায়।
  • ফিঙ্গারিং করলে চরিত্র নষ্ট হয়ে যায়।
  • ফিঙ্গারিং করলে একটা সময় স্বাস্থ নষ্ট হয়ে রোগাক্রান্ত আকার ধারণ করে।
  • ফিঙ্গারিং করতে থাকলে একটা সময় স্বামীর সাথে যৌনমিলনের আগ্রহ কমে যায়।
  • ফিঙ্গারিং করতে থাকলে নিজের মধ‍্যে সবসময় বাজে চিন্তা কাজ করে।
  • হস্তমৈথুন করার ফলে স্বামীকে পূর্ণ সুখ দিতে অসামর্থ‍্য হওয়ায় স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়।
  •  স্ত্রীর হস্তমৈথুনের ফলে পূর্ণ সুখ না পাওয়ায় অনেক স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।


তাই, সকলের উচিত হস্তমৈথুন বা ফিঙ্গারিংকে 'না' বলা।
.
অবশ্যই স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। হাত দিয়ে অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং করলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিবে।


প্রথম কথা হলো এই কাজটি সব ধর্মেই নিষেধ করা হয়েছে।   অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং-এ যোনীপথে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে। বিশেষ করে যোনীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারণে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে। এমনকি প্রস্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনের কারণে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে। নিয়মিত ও অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং করায় যৌনশক্তি কমে যাওয়া ও শারিরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া অভ্যাসে পরিনত হওয়া বা দীর্ঘদিন এই অভ্যাসের ফলে যৌন আকাঙ্খা কমে যেতে পারে। তাছাড়া বিবাহিত জীবনে যৌন অনীহার সৃষ্টি হতে পারে যা দাম্পত্বেও প্রভাব ফেলে।
তাই এমন গর্হিত পদ্ধতিটি এড়িয়ে চলাই বিবেকের দাবী। এবং ধর্মীয় বিষয়গুলিতে মনযোগী হলে এই অভ্যাসটা সহজেই ত্যাগ করা যায়। তাছাড়া অশ্লিল কল্পনা ও অশ্লিল ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকা। শালীনতা বজায় ও বিপরীত লিঙ্গের সহিত রসালাপ ত্যাগ করা। নিয়মিত ব্যায়াম করা। অবসর সময়ে ধর্মীয় বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। সর্বোপরি নিজেকে আত্মনিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলেই এই অভ্যাস ত্যাগ বা তা থেকে বিরত থাকা সম্ভব।

22443 views Answered

ফিঙ্গারিং বা হস্তমৈথুন করার ফলে শরীরে যেসব ক্ষতি সাধিত হয়:

১। হস্তমৈথুন করলে দ্রুত বীর্যপাতের অভ‍্যাস তৈরী হয়ে যায়, যা বিয়ের পর সন্তান জন্মদানে ও পরিপূর্ণ সুখলাভে বাধা সৃষ্টি করে।
২। হস্তমৈথুন করলে নিয়মিত মাথাব‍্যাথার সমস‍্যা হয়।
৩। হস্তমৈথুন করলে স্মৃতিশক্তি, মেধাশক্তি, বিবেকশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি লোপ পায়।
৪। হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ দুর্বল হয়ে যায় তথা একটা সময় সেক্স উত্তেজনা কমে যায়।
৫। হস্তমৈথুন করলে চরিত্র নষ্ট হয়ে যায়।
৬। হস্তমৈথুন ফলে যিনা বা সমকামিতার মতো কবীরা গুনাহ হয়।
৭। হস্তমৈথুন করলে একটা সময় স্বাস্থ নষ্ট হয়ে রোগাক্রান্ত আকার ধারণ করে।
৮। হস্তমৈথুন করতে থাকলে একটা সময় স্বামীর সাথে যৌনমিলনের আগ্রহ কমে যায়।
৯। হস্তমৈথুন করতে থাকলে বীর্যে ডিম্বাণুর পরিমাণ কমে গিয়ে একটা সময় বাচ্চা হয় না।
১০। হস্তমৈথুন করতে থাকলে নিজের মধ‍্যে সবসময় বাজে চিন্তা কাজ করে।
১১। যারা হস্তমৈথুন করে, তারা সহজে 'মা' ডাকটি শুনতে পায় না।
১২। হস্তমৈথুন করার ফলে স্বামীকে পূর্ণ সুখ দিতে অসামর্থ‍্য হওয়ায় স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়।
১৩। স্ত্রীর হস্তমৈথুনের ফলে পূর্ণ সুখ না পাওয়ায় অনেক স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।
১৪। হস্তমৈথুন, ফিঙ্গারিং বা মাষ্টাবেশন করার ফলে মেয়েদের সতিচ্ছেদ হয়ে যায়, ফলে কুমারীত্ব নষ্ট হয় এবং বিয়ের পর স্বামীর সাথে সম্পর্ক টিকে না।
তাই, সকলের উচিত হস্তমৈথুন বা ফিঙ্গারিংকে 'না' বলা।
22443 views Answered

অবশ্যই স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। হাত দিয়ে অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং করলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিবে।

22443 views Answered

প্রথম কথা হলো এই কাজটি সব ধর্মেই নিষেধ করা হয়েছে। তাছাড়া এটি অপচয়। আর অপচয় করা প্রায় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ। ইসলাম ধর্মে অপচয়কারিকে শয়তানের ভাই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বীর্য আল্লাহর একটি নিয়ামত, আর ফিঙ্গারিং-এর মাধ্যমে এই নিয়ামতের অপচয় হয়ে থাকে। অতিরিক্ত  ফিঙ্গারিং-এ যোনীপথে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে। বিশেষ করে যোনীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারণে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে। এমনকি প্রস্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনের কারণে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে। নিয়মিত ও অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং করায় যৌনশক্তি কমে যাওয়া ও শারিরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া অভ্যাসে পরিনত হওয়া বা দীর্ঘদিন এই অভ্যাসের ফলে যৌন আকাঙ্খা কমে যেতে পারে। তাছাড়া বিবাহিত জীবনে যৌন অনীহার সৃষ্টি হতে পারে যা দাম্পত্বেও প্রভাব ফেলে। 

তাই এমন গর্হিত পদ্ধতিটি এড়িয়ে চলাই বিবেকের দাবী। এবং ধর্মীয় বিষয়গুলিতে মনযোগী হলে এই অভ্যাসটা সহজেই ত্যাগ করা যায়। তাছাড়া অশ্লিল কল্পনা ও অশ্লিল ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকা। শালীনতা বজায় ও বিপরীত লিঙ্গের সহিত রসালাপ ত্যাগ করা। নিয়মিত ব্যায়াম করা। অবসর সময়ে ধর্মীয় বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। সর্বোপরি নিজেকে আত্মনিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলেই এই অভ্যাস ত্যাগ বা তা থেকে বিরত থাকা সম্ভব।

22443 views Answered

উত্তরঃ হস্তমৈথুনের কোন সাইড এফেক্ট নাই মেয়েদের শরীরে । তাই মেয়েরা মাল্টিপল অর্গাজমের জন্য একইদিনে একাধিকবার হস্তমৈথুন করতে পারেন। ধন্যবাদ . . Perfect Singer - Rafi

22443 views Answered

অবশ্যই ক্ষতিকর যে কারনে এটা নিষিদ্ধ হারাম।

22443 views Answered

Chele der mto ai kaj ti meye dro khub khoti kore.

22443 views Answered

Related Questions

Next steps